টাইফুন ইয়াগির আঘাতে ভিয়েতনামে মৃত্যু বেড়ে ১৯৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। টাইফুন ইয়াগিকে চলতি বছর এশিয়ায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বলা হচ্ছে। ভিয়েতনামে এ ঝড়ের তাণ্ডব চলছে গত শনিবার থেকে। খবর এপির।
আবহাওয়া সংস্থার বরাত দিয়ে এপি জানিয়েছে, পানির স্রোতে বাঁধ ভেঙে নদী তীরবর্তী ও নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হ্যানয়সহ উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য প্রদেশের কিছু অংশ এখনো হুমকির মুখে।
শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লোহিত নদীর পানি বেড়ে ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙার পর রাজধানী হ্যানয়ের রাস্তাগুলো ডুবে গেছে। বুধবার হ্যানয়ের নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোর কয়েক হাজার বাসিন্দাকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে লোহিত নদীর পানির স্তরে সামান্য পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়া সংস্থা।
ফিলিপিন্স ও চীনের হাইনান দ্বীপে তাণ্ডব চালানোর পর শনিবার ভিয়েতনামের উত্তর উপকূল দিয়ে স্থলে উঠে আসে টাইফুন ইয়াগি। এরপর থেকে পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে হ্যানয়ের উপর প্রবল ঝড় ও ভারি বৃষ্টি ঝরায়। সোমবার ফু থো প্রদেশে লোহিত নদীর ওপর দিয়ে যাওয়া ফং চাউ সেতু ধসে পড়ে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিধস ও বন্যায় ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলে দুই লাখ হেক্টরের বেশি ফসলের ক্ষেত ডুবে গেছে। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ ভিয়েতনামে ত্রাণ পাঠানোর কথা জানিয়েছে।
প্রয়াত হলেন সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি