সিকৃবিতে ক্যান্টিনের খাবারের উচ্চমুল্য, নেই মুল্য তালিকা 

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৩:২১ পিএম

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ক্যান্টিনের খাবারের দাম ও মান নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির দোহাই দিয়ে কয়েক দফায় দাম বাড়লেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনের খাবারের মান বাড়েনি । এছাড়াও বাসি খাবার পরিবেশন, মুল্য তালিকা না টাঙানোর অভিযোগ রয়েছে ক্যান্টিন পরিচালকদের‌ বিরুদ্ধে। 

বিশ্ববিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের দিকেও ৫০ টাকায় মুরগি ও মাছ দিতে ভাত, ডাল পাওয়া যেত। পরবর্তীতে মুরগির মাংসের দাম বৃদ্ধির কথা বলে দুই দফায় টাকা বৃদ্ধি করে ৬০ টাকা করা হয়। তবে খাবারের মানের উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। এখন মুরগির মাংসের দাম কমলেও খাবারের দাম আগের মতোই আছে। এছাড়াও মুল্য তালিকা না টাঙিয়ে খাবারের মুল্য নিজেদের ইচ্ছামত মতো বাড়িয়েছেন বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষার্থীদের।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সিকৃবিয়ান কমনরুম নামক গ্রুপের এক শিক্ষার্থী লিখেন, ভার্সিটির বিদ্যুৎ, গ্যাসের লাইন পেয়েও সিকৃবি ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের দাম অনেক বেশি। যখন মুরগির দাম অনেক বেড়ে গিয়েছিল তখন ৫০ থেকে বেড়ে ৬০ করা হয়,এখন দাম কমেছে তবুও দাম কমানোর কোনো নাম গন্ধ নাই। এক চেটিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছে তারা। এতোই যখন দাম রাখবে সব কিছুর, তাহলে ভার্সিটি সেন্ট্রাল ক্যাফেটেরিয়া হয়ে কি লাভ?

আরেক শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের ক্যাম্পাসের ক্যান্টিনে খাবারের দাম তুলনামূলক বেশি। এই দামে বাইরের দোকানগুলোতে আরো ভালো খাবার পাওয়া যায়। এছাড়াও এখানে মাঝে মাঝে বাসি খাবার দেওয়া হয়। অনেকে বিভিন্ন সময় পোকামাকড়ও পেয়েছে খাবারে। এখন ছাত্রলীগ না থাকায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে খাবারের দাম কমানো হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরও উচিত খাবারের মুল্য কমানো ও মান বাড়াতে নজর দেয়া।

এ বিষয়ে ক্যান্টিনের পরিচালক শাহীন পঁচা বাসি খাবার পরিবেশনের কথা অস্বীকার করে বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরে কথা বলে মূল্য তালিকা দিয়ে দিবেন।

খাবারের দাম কমানো ও মান বৃদ্ধির ব্যাপারে সিকৃবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড.এমদাদুল হক বলেন,এ বিষয় সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত