নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চোরাই গরু নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের চেংজানা ও পেরী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম (৬০), সোহেল (২৭), পিপুল (২৩), রাইসুল ইসলাম (৩৫) ও হৃদয়কে (২৩) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যরা কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে একটি চোরচক্র কয়েকটি গরু নিয়ে উপজেলার সাহিতপুর বাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। বাজারে লোকজন দেখে ফেলায় গরুগুলো রেখে চোরেরা পালিয়ে যায়। এরপর গরুগুলো পেরী গ্রামের লোকজন নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পাশের চেংজানা গ্রামের লোকজন গরুগুলো আটকে রাখে।
এ নিয়ে শনিবার বিকেলে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে চারজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এরই জেরে রোববার দুপুরে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়।
সংঘর্ষের খবর শুনে ইউএনও, পুলিশ ও কেন্দুয়া অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য একজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার জানান, চোরাই গরু নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় একজনকে পুলিশ আটক করেছে।
কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উমর কাইয়ুম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আদম পরিবারের সুইসাইডের ঘটনায় সিরিজ, মুক্তি কবে? 