ফেনীতে আওয়ামী লীগের ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৮:৩২ পিএম

ফেনীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনায় এজাহারভুক্ত ও সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেনী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ওসি মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বলেন, ‘১১ জনকে মহিপালে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলায় ও ৪ জনকে আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে সোনাগাজী থেকে পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নূর আলম মাষ্টার (৪৮) ও উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুন্না আজিজ (৩০), পরশুরাম থেকে পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম মজুমদার (৪২) ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আলী (২১), দাগনভূঞা থেকে পৌর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন মাসুদ (৪৮), পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজীব (৩৯), রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আবুল খায়ের পাটোয়ারী (৬৩) ও পৌর ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইমুন ইসলাম প্রকাশ রাহিম (২২), ছাগলনাইয়া থেকে পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য মো. সোহাগ (২৯) ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন রুবেল (৩৩), ফুলগাজী থেকে আনন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মজিবুল হক (৬৬), আমজাদহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জব্বার (৬০), মুন্সিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুল মোতালেব ভূঁইয়া (৫৪), উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কাজী নুর আলম (৫৪) এবং ফেনী সদর থেকে বালিগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মো. মাহফুজ মিয়াকে (৪৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ৪ আগস্ট ফেনীর মহিপাল এলাকায় উড়ালসেতুর নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ওই হামলায় আটজন নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের পক্ষ থেকে ফেনী সদর মডেল থানায় আটটি হত্যা মামলা এবং আহতদের পক্ষ থেকে আরও তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত