প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফেনীতে খেলা চলাকালীন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেয়া সেই শিক্ষিকার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতোমধ্যে ডাক পেয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক থেকেও। আর এ ঘটনায় বিএনপি ও ক্রীড়া সংগঠনগুলোর নেতারা ওই শিক্ষিকার বাসায় গিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন।
সবশেষ রবিবার (৩১ মে) দুপুরে জেলা শহরের সেলিনা পারভীন সড়কে গিল্লাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সৈয়দা খালেদা আক্তার পারভীনের বাসায় গিয়ে তার হাতে উপহার তুলে দেন বিএনপি নেতারা। এসময় দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব, ফেনী সদর উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁঞাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মশিউর রহমান বিপ্লব দলের পক্ষ থেকে ওই শিক্ষিকাকে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে কাজ করছে। তৃণমূলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রতিভাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে চায়।
আর উৎসাহ ও সহযোগিতা পেলে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান বলে জানান শিক্ষিকা সৈয়দা খালেদা আক্তার পারভীন। তিনি বলেন, পারিবারিকভাবে ক্রীড়া শিক্ষা পেয়ে তিনি এ অঙ্গনে অবদান রাখতে চান।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পলির পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই খেলাধুলার সঙ্গে জড়িত। তার বাবা সৈয়দ মমিনুল ইসলাম একসময় মোহনবাগান ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলেছেন। ভাই সৈয়দ মামুনুল হাসান ছিলেন ফেনীর পরিচিত ফুটবলার। পলি ও তার বোন ফেনী মহিলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে হ্যান্ডবল ও ভলিবল খেলেছেন। এছাড়া তার প্রয়াত স্বামী গোলাম রব্বানী ছিলেন সকার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট।
গত ২৯ এপ্রিল ফেনী পিটিআই স্কুল মাঠে উপজেলা পর্যায়ের একটি সেমিফাইনাল ম্যাচে বৃষ্টির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়ার দৃশ্যটি ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
ভিডিওটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তার নির্দেশনায় গত ২৬ মে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষিকা পলির বাসায় বিশেষ শুভেচ্ছা উপহার পাঠানো হয়। সরাসরি ফোন করে তার পাশে দাঁড়াল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।