বিমানযাত্রায় কীভাবে ঘুমাবেন

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৪, ১২:২১ এএম

লম্বা বিমানযাত্রা ক্লান্তিকর। তার ওপর ঘুম না এলে সময় কাটানো মুশকিল হয়ে যায়। মেজাজও ঠিক থাকে না। শরীরও খারাপ লাগতে শুরু করে। দীর্ঘ যাত্রাপথ

বড্ড একঘেয়ে মনে হয়। লম্বা যাত্রাপথে একটু ঘুমিয়ে পড়তে পারলে সময় যেমন ঝট করে কেটে যায়, তেমনই শরীরও ঝরঝরে হয়ে ওঠে। অধিকাংশ মানুষেরই সময়ের তারতম্যে ঘুম আসতে চায় না। কারও আবার শব্দ, আলোয় দু’চোখের পাতা এক হয় না। কেউ আবার অতিরিক্ত ঠা-ায় ঘুমাতে পারেন না। আবার আরামদায়ক পোশাক না থাকলেও কারও কারও ঘুমে সমস্যা হয়।

কী করবেন

বিমানযাত্রায় মাঝ-আকাশে চোখে ঘুম আনতে প্রথমেই আরাম করে বসুন। তারপর ‘আই মাস্ক’ বা ‘নয়েজ ক্যানসেলিং হেডফোনস’, ‘ইয়ার প্লাগ’ এবং ‘ল্যাভেন্ডার অয়েল’ নিন। পাশাপাশি আরামদায়ক, আলগা পোশাক পরে নিন। এরপর আরাম করে বসে, চোখে মাস্ক, কানে ‘ইয়ার ফোন’ লাগিয়ে নিলেই, আলো ও শব্দ থেকে মুক্তি পাবেন। ল্যাভেন্ডার অয়েল এসেনশিয়াল অয়েল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মন শান্ত করতে গন্ধটি সাহায্য করে। এরপর তাপমাত্রা শরীরের পক্ষে আরামদায়ক করে নেওয়া। ঠা-া লাগলে, যাত্রী কম্বল চাইতে পারেন, আবার শীতলতার মাত্রা কমিয়ে দিতে বলতে পারেন। তাপমাত্রা আরামদায়ক হলে ঘুমও সহজে আসবে।

ঘুম আনতে সাহায্য করে মেলোটোনিন নামে একটি হরমোন। অনিদ্রা, জেট ল্যাগ কাটাতে ইদানীং অনেকে মেলাটোনিন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেন। ভ্রমণ যদি দীর্ঘ হয় তাহলে এটিও খেতে পারেন। যদি কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকে।

শরীরেই ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ হয়

প্রাকৃতিকভাবেই। তবে ইনসমনিয়া বা ঘুমের সমস্যা থাকলে প্রয়োজনে স্বল্প সময়ের জন্য মেলাটোনিন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করতে ডাক্তাররা পরামর্শ দেন। শিশুদের ঘুমের জন্য তাদের হাতে মোবাইল, ট্যাব বা বৈদ্যুতিক খেলনা দেবেন না। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত