ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগে অন্তর্ভুক্তিকরণ

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২৪, ১২:০৯ এএম

শে্বতপত্র প্রণয়নের এই মুহূর্তে বায়ান্ন বছর বয়সী বাংলাদেশের অর্থনীতির বেশ কিছু শনাক্তযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কৃষিনির্ভরতা থেকে শিল্প স্বপ্ন দর্শন, পল্লী পরায়ণতা থেকে নগরযাত্রা, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে বেকারত্বের বেড়াজাল থেকে বের করে আনার অনায়াসলব্ধ প্রয়াস, অসম্ভব কেন্দ্রমুখী এবং নিয়ন্ত্রিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, ব্যষ্টিবিহিন সামষ্টিকতা, পুষ্টি ধৈর্য ও লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা অক্ষমতার দোলাচলে দোদুল্যমান। গণতান্ত্রিক বোধ ও বিশ্বাস এবং আচার ও আচরণ, নগর ও গ্রামীণ আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট, কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে শিল্প উৎপাদন, ধনি ও দরিদ্রের ব্যবধান এবং কথা ও কাজের গরমিলে স্বকল্প স্ববিরোধিতা রয়েছে। যে দেশের সিংহভাগ মানুষ এখনো দরিদ্র, যে দেশের সব আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক অর্থনৈতিক কর্মকা- এখনো বহিরাগত নানান নীতি নির্দেশ নিয়ন্ত্রণের নিগড়ে, পরশ্রীকাতরতায় পুষ্ট আর আত্মসমালোচনায় রুষ্ট সে অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসাবাণিজ্য বা শিল্প উদ্যোগকে অর্থনীতির মূল ধারায় আনতে এবং সার্বিকভাবে সাবলম্বী করে তুলতে উদ্যোগ বা প্রয়াসসমূহের সুরতহাল সুখকর নয়। বাংলাদেশের জনমিতি বিভাজনে দেখা যায়, শতকরা ৪৫ ভাগ জনগোষ্ঠী দরিদ্র বা নিম্নবিত্তের বলয়ে, প্রায় সমসংখ্যক শতকরা ৪৫ ভাগ ক্ষুদ্র ও মাঝারি (মধ্যবিত্ত) পর্যায়ের অর্থনৈতিক অবস্থানে আর উচ্চ ও অতি উচ্চবিত্তে বাকি ১০ ভাগ। দরিদ্র ও মধ্যবিত্তের মধ্যকার সমীকরণ সতত পরিবর্তনশীল। দরিদ্র বা নিম্নবিত্তকে মধ্যবিত্তে উন্নীতকরণের ধারা আপেক্ষিকতায় আকীর্ণ-যদিও অত্যন্ত মন্থরগতিতে ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু মধ্যবিত্ত যতটা না উচ্চবিত্তে ঊর্ধ্বগামী তার চেয়ে নিম্নবিত্তে নিম্নগামিতার প্রবণতা বেশি। বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর ও জনবহুলতার ভারে ন্যুব্জ অর্থনীতিতে গ্রামীণ জনস্রোতের দ্রুত নগরাভিমুখিতা গ্রামীণ অর্থনীতিকে তো বটেই, সার্বিক সামাজিক সংহতিকে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। 

পুঁজি প্রবাহ প্রকৃত বিনিয়োগে না গিয়ে বেহাত হলে একই পুঁজি বিপরীত বা বিরূপ ফলাফল উপস্থাপন করতে পারে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ব্যয় অর্থনীতিতে পাবলিক সেক্টরের বিনিয়োগ। কিন্তু এডিপির অর্থ ব্যয় যদি প্রকৃত অর্থে সমষ্টির উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় না হয়ে ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা গোত্রের স্বার্থ উদ্ধারে বেহাত হয় তাহলে সেই বিনিয়োগ মুদ্রাস্ফীতিসহ দুর্বৃত্তায়নের পৃষ্ঠপোষকতার শামিল। প্রকৃত কৃষক স্বল্প সুদের কৃষিঋণের সমুদয় টাকা নিজ হাতে না পেয়ে মধ্যস্বত্বভোগী, দালাল, ফড়িয়া এবং ব্যাংকের লোন ডিসবার্সকারীর দুর্নীতির দুর্বিপাকে পড়ে নানান বাধাবিপত্তি  মেটাতে গিয়ে যথাসময়ে টাকা না পেয়ে সেই টাকা প্রকৃত উৎপাদনের কাজে লাগাতে পারেনি। উপরন্তু নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বীজ ও সারের অপ্রতুলতার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। ফলে বকেয়া পড়ে গেছে। এমনও দেখা গেছে, ৭৫০০ টাকা কৃষিঋণ নেওয়া হয়েছে ১৯৮৮ সালে। খাতক ১৯৯৯ সালে মারা গেছেন। ২০১১ সালে কৃষি ব্যাংক থেকে খাতকের ঠিকানায় প্রায় ৯৮ হাজার টাকা বকেয়া (সুদ আসলসহ) দাবি করে নোটিস জারি করা হয়েছে। খাতকের বিধবা স্ত্রী এবং বেকার সন্তানরা এ নোটিস পেয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। ব্যাংক থেকে জানানো হয়েছে, এ ঋণ অবলোপন কিংবা মাফ করার পদ্ধতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনেক নীতি নির্দেশনার আলোকে সহজসাধ্য নয়। যতদূর জানা যায়, ১৯৮৮ সালে খাতক এ টাকা নিয়েছিলেন ব্যক্তিগত এবং বিশেষ কাজের জন্য। তা ছাড়া সে টাকা পেতে খাতককে কিছু বাড়তি খরচও করতে হয়েছিল। এমনকি সে টাকা তার কৃষি উন্নয়নে বীজ ও সার সংগ্রহে ব্যবহার হয়েছিল কিনা, মরহুমের পরিবারের সদস্যরা তা জানতে পারেননি।

দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। তবে বর্তমানে কৃষিভিত্তিক পণ্যসহ ছোট আকারের নানা ধরনের উৎপাদন ও সেবামুখী এসএমই উদ্যোগগুলো গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তরে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে। এতে গ্রামাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। দেশের এসএমই উদ্যোগের বড় একটি অংশই কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন ছাড়াই নিজেদের চেষ্টায় গড়ে উঠেছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা ও ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির জন্য সহজ অর্থায়ন সুবিধা প্রয়োজন। এখনো অনেক এসএমই উদ্যোগ অর্থায়ন সুবিধার বাইরে রয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তারা। ডিজিটাল মাধ্যম প্রসারের সুবাদে অনেক নারী উদ্যোক্তা অনলাইনভিত্তিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। এমএসএমই খাতের অর্থায়নের ৫ থেকে ৬ শতাংশ পাচ্ছেন নারী উদ্যোক্তারা। মূলত ডকুমেন্টেশনের সমস্যার কারণেই এসএমই খাতভুক্ত উদ্যোক্তারা ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছেন। ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র জমা দিতে হয়। এসব কাগজপত্র অনেক ক্ষেত্রে সংগ্রহ করা কঠিন। কভিডের সময়ও দেখা গেছে ডকুমেন্টেশন সমস্যার কারণে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রণোদনার অর্থ উদ্যোক্তাদের অনেকেই নিতে পারেননি।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের স্বার্থ এবং এর বিকাশ ভাবনায় নিবেদিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসএমই ফাউন্ডেশন গঠিত হয়েছে। কিন্তু নীতি নির্ধারণ, পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের ক্ষেত্রে এ ফাউন্ডেশনের পক্ষে বশংবদ সীমাবদ্ধাতার দেয়াল টপকানো পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সনাতন ব্যাংকিং পদ্ধতি, অপর্যাপ্ত পুঁজির প্রবাহ এবং নীতিনির্ধারণগত যূথবদ্ধতার কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তারা প্রাণ পেয়েও হালে পানি পায়নি। দেশের বহু বিলাসবহুল বিত্তশালী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সেগুলো সবই শহরকেন্দ্রিক এবং বৃহৎ উদ্যোক্তার হাতে বন্দি। ফলে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ ব্যাংকগুলোতে পল্লী এলাকার উৎস থেকে ১১৮৬.১৮ বিলিয়ন টাকা জমা হলেও সে টাকা থেকে অর্ধেকেরও কম অর্থাৎ মাত্র ৫২০.৭৪ বিলিয়ন টাকা গ্রামাঞ্চলে বিনিয়োগ হয়েছে। বাকি সবই শহরকেন্দ্রিক ব্যাংকগুলোতে ব্যবহার হয়েছে। নগরবন্দি ব্যাংকগুলোর গ্রামীণ শাখা খোলার তেমন কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায় না এবং বড় বড় অনেক আর্থিক কেলিঙ্কারি ঘটেছে শহরের বড় বড় ব্যাংকে। ফলে গ্রামীণ পুঁজিতে টান পড়েছে। এক হিসেবে দেখা গেছে, প্রায় শতকরা ৬৭.২২ ভাগ এসএমই লোন গেছে টুকটাক ব্যবসায়। উৎপাদন খাতে গেছে ২৭.৫৭ ভাগ এবং সেবা খাতে মাত্র ৫.২৫%। এ থেকে বোঝা যায়, এখনো এসএমই ঋণ উদ্দেশ্য অভিমুখী হতে পারেনি। বরং হলমার্ক, ডেসটিনি, বিসমিল্লাহ, বেসিক, বেদখলি ব্যাংকগুলো বড় ধরনের অনিয়ম কেলেঙ্কারির শিকার হয়েছে গ্রামীণ অর্থ খাত।

এখনো ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তা পৃষ্ঠপোষকতা, প্রণোদনা, শুল্ক কর রেয়াত পাওয়ার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও ফলাফল তাদের অনুকূল হয় না। অন্যদিকে ঘাটে ঘাটে চাঁদা ও মাসোহারা প্রদানে মাঝে মধ্যে তাদের মূল পুঁজিতেই টান পড়ে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য প্রারম্ভিক পুঁজি ও কাঁচামাল থেকে শুরু করে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি তথা বিপণন পর্যায়ে একটি সক্ষমতা সৃষ্টিকারী পরিবেশ প্রয়োজন।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবস্থান সার্বিক শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাপানের মতো শিল্পোন্নত দেশের প্রাণবায়ু হচ্ছে সে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। টয়োটা ও সনির মতো বড় কনগ্লোমারেট আসলে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সমাহারের সমবায়ী ব্যবস্থা।

অধিক বেকারত্বের ভারে ন্যুব্জ নগরাভিমুখী দরিদ্র ও মধ্যবিত্তের বাঞ্ছিত পুনর্বাসনের জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়নই একটি কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিভাত ও পরিগণিত হতে পারত। কিন্তু এখানেও উচ্চবিত্তের কারসাজিতে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সর্বনাশ হয়েছে। দ্রুত সমাজ ভাঙছে। অস্থিরতা বাড়ছে এবং নীতি ও নৈতিকতার সমস্যা প্রকট হয়ে উঠছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাকে প্রকৃত পুঁজি প্রণোদনা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান ব্যতিরেকে এই অধোগামিতা থামানো অসম্ভব।

বিশ্ব জুড়ে ব্যবসাবাণিজ্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে কুটির শিল্প, ছোট ও মাঝারি শিল্প খাত। জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, বৈশি^ক ব্যবসার ৯০ শতাংশ, কর্মসংস্থানের ৭০ শতাংশ এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫০ শতাংশই এ খাতের অবদান। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান এখনো বেশ কম। এসএমই খাতের ওপর কভিডের প্রভাব নিয়ে করা লাইট ক্যাসেল পার্টনাসের এক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, ইন্দোনেশিয়ার জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান ৫৯ শতাংশ। একইভাবে কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রে ৫৮ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৫২ শতাংশ, ভিয়েতনামে ৪০ শতাংশ এবং ভারতের জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান ২৯ শতাংশ। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ। এ দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশই হচ্ছে এসএমই খাতের মাধ্যমে। ছোট আকারের কৃষি উদ্যোগ কিংবা পশুপালন খামার, ছোট আকারের উৎপাদনমুখী শিল্প কিংবা সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের অসংখ্য উদ্যোক্তা নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি আরও অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।

নিম্নবিত্তকে মধ্যবিত্তের বলয়ে আনতেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশ ভাবনার বোধন। এসএমই সেক্টরের প্রধান কাজই হচ্ছে দরিদ্রদের অর্থনৈতিক কর্মকা-ে নিয়ে আসার প্রয়াস। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে কর্মোদ্যোগী ও সৃজনশীল তৎপরতায় শামিল করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগে তাদের অন্তর্ভুক্তিকরণের বিকল্প নেই। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে ব্যাংকিং পদ্ধতি এখনো ‘যার টাকা আছে তাকেই টাকা দেওয়া’র নীতিতে পরিচালিত হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংকের ধ্রুপদি লক্ষ্যমাত্রাই হচ্ছে যেন, যার দরকার নেই তাকে টাকা কর্য দাও। সিংহভাগ দরিদ্রের টাকা বা পুঁজির প্রয়োজন। অথচ তাকে সহজ শর্তে টাকা দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। সাম্প্রতিককালে ‘অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে উন্নয়ন’ একটি নতুন ধারণা হিসেবে এলেও, এটা যে ব্যাংকিং পদ্ধতির মাধ্যমে করা হবে সেটা অত্যন্ত পুরনো। পুঁজি ও ভোগবাদী আদর্শের দ্বারা লালিত বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা সুপরিকল্পিতভাবে নিম্ন ও মধ্যবিত্তকে নয়, ‘উচ্চবিত্তকে অর্থায়নের ব্যাপারেই’ আগ্রহী। এমতাবস্থায় এ অর্থনীতির স্বতঃসিদ্ধ স্বভাব আর অশুভ সংঘবদ্ধতার (সিন্ডিকেট) বলয় থেকে নিম্নবিত্তকে মধ্যবিত্তে বিচরণ বিহারের সুযোগকে কীভাবে বাক্সময় করা যাবে তাই-ই হোক এ খাতের শে^তপত্র প্রণয়নের প্রেরণা।

লেখক: সরকারের সাবেক সচিব এবং এনবিআর চেয়ারম্যান

সধুরফ.সঁযধসসধফ@মসধরষ.পড়স

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত