পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ ৯ দফা দাবিতে গণসমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি বিসিক ২ নং গেটে জুমার নামাজের পর অনুষ্ঠিত হয়।
গণসমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে বিগত দিনে সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে। ন্যায়ের পক্ষে এবং অন্যায়ের বিপক্ষে সর্বদা সোচ্চার ছিল, আছে এবং থাকবে। জুলাই-আগস্টের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং সকল সহযোগী সংগঠনগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। এতে সংগঠনের ২০ জন কর্মী শাহাদাত বরণ করেছে এবং প্রায় ৫ শতাধিক কর্মী আহত অবস্থায় এখনো চিকিৎসাধীন আছেন।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্টদের ১৬ বছরে চর দখল, চাঁদাবাজি, হামলা-মামলায় জর্জরিত ছিল মানুষ। যেহেতু বৈষম্যের জের ধরে ফ্যাসিস্টদের পতন হয়েছে তাই ভবিষ্যতে যেন কোনো নিরীহ ব্যক্তি হামলা-মামলা কিংবা নিপীড়নের শিকার না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর পীর ছাহেব চরমোনাই দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষণ করে দেশ সংস্কারে নয় দফা দাবি প্রস্তাব করেছেন। দাবি আদায়ে সকল জেলা, মহানগর এবং উপজেলা পর্যায়ে গণসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনুসকে পীর ছাহেব চরমোনাই ঘোষিত পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন এবং নয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। অধ্যক্ষ মাও. শহিদুল ইসলাম, শ্রমিক আন্দোলন নগর সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন হাওলাদার, যুব আন।
