সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক সীমিত ও রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ না করে বরং ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য রক্ষার দাবি জানিয়েছেন দ্বীপবাসী ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতের অংশীজনরা। গতকাল শনিবার রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। এ সময় বক্তারা বলেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা না করে সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পর্যটন শিল্পের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) প্রেসিডেন্ট মো. রাফেউজ্জামানসহ আরও অনেকে।
রাফেউজ্জামান বলেন, প্রতি বছর হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক এ দ্বীপে ভ্রমণ করে ও রাতে অবস্থান করে এর সৌন্দর্য উপভোগ করেন। সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক সীমিত এবং রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ না করে হাজার হাজার মানুষের জীবন, জীবিকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়নমুখী জীবন ধারণ অব্যাহত রাখতে এবং মানবিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাব্যবস্থাকে ভেঙে পড়ার হাত থেকে রক্ষার স্বার্থে দ্বীপের সব পর্যটন স্থাপনাকে অপসারণের পরিবর্তে পর্যটন শিল্পকে চলমান রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিগগিরই দ্বীপের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ প্রদান করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে টোয়াব, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন দ্বীপ পরিবেশ ও পর্যটন রক্ষা উন্নয়ন জোট, ই-ট্যাব, সেন্টমার্টিন দোকান মালিক সমিতি এবং হোটেল মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
