বগুড়ার গাবতলীতে না বলে মোবাইল নেওয়ায় মোবাশ্বের হোসেন (১২) নামের এক ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রকে গলা কেটে হত্যা করেছে তারই চাচাতো ভাই নাবিল আহম্মেদ (২০)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাবিল আহম্মেদকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাবতলী উপজেলার নাড়ুয়ামালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মোবাশ্বের হোসেন গাবতলীর নাড়ুয়ামালা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ও গাবতলী আইডিয়াল কেজি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। আর অভিযুক্ত নাবিল একই গ্রামের মো. সেলিমের ছেলে।
গাবতলী থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মোবাশ্বের হোসেনের হার্টে ফুটো থাকায় কয়েকদিন আগে অপারেশন করে আনা হয়। এ কারণে তিনি বাড়ি থেকে বের হতেন না। সোমবার সকালে তিনি বিছানায় শুয়ে তার চাচাতো ভাইয়ের মোবাইল ফোন নিয়ে খেলছিল। না বলে ফোন নেওয়ার কারণে নাবিল আহম্মেদ মোবাশ্বেরকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে খুন করে।
আরও জানা যায়, নাবিল আহম্মেদ একজন মানসিক রোগী এবং তিনি ওই বাড়িতেই থাকেন। ঘটনার পর পালিয়ে না গিয়ে বাড়িতেই ঘোরাঘুরি করছিল। পরিবারের লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে নিহত মোবাশ্বেরের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে এবং নাবিলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, স্থানীয়রা পুলিশকে জানিয়েছে নাবিল মানসিক রোগী। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নাবিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
পদ থেকে অব্যাহতি চাইলেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান