সকালে যেভাবে টপাটপ উইকেট পড়ছিল, তাতে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছিলেন সবাই। তবে সপ্তম উইকেটে এসে প্রতিরোধ গড়লেন মেহেদি মিরাজ আর জাকের আলী। দুজনের দারুণ জুটিতে ইনিংস হারের শঙ্কা কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন লিড নিয়েছে। টাইগারদের স্কোর ৭ উইকেটে ২৬২। এখন পর্যন্ত লিড হয়েছে ৬০ রানের।
মেঘলা আকাশের নিচে আজ বুধবার কাগিসো রাবাদার করা দিনের চতুর্থ ওভারেই উদ্ভট শট খেলতে প্রথম স্লিপে ধরা পড়েন ৯২ বলে ৫ চারে ৪০ রান করা মাহমুদুল। এক বল পরেই আউট মুশফিক। রাবাদার সেই ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়ে থামল তার ২৩ রানের ইনিংস। এরপর পালা লিটন দাসের (৭) । কেশব মহারাজের স্টাম্পে পিচ করা বল লিটনের ব্যাট ছুঁয়ে কিপারের গ্লাভসে জমা পড়ে। আম্পায়ার আঙুল না তুললে রিভিউ নিয়ে জয়ী হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
১১২ রানে ৬ উইকেট পতনের পর মেহেদি মিরাজ আর জাকের আলী প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। এই জুটিতেই ইনিংস হার এড়িয়ে লিড নেয় বাংলাদেশ। ৯৪ বলে ক্যারিয়ারের ৯ম ফিফটি পূরণ করেন মিরাজ। মধ্যাহ্নবিরতির আগে বাংলাদেশ ৬৩ ওভারে তুলেছে ২০১ রান। বিরতির পর ১০২ বলে অভিষেক টেস্ট ফিফটি তুলে নেন জাকের। দুজনেই দ্রুত রান তুলছিলেন। তবে ১৩৮ রানের মহামূল্যবান এই জুটি ভাঙে জাকেরের বিদায়ে। কেশব মহারাজের বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন জাকের। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। ফিরতে হয় ১৪১ বলে ৮ চার ১ ছক্কায় ৭৩ রানে।
মিরাজ-জাকেরের জুটি টেস্টে যে কোনো উইকেটেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৩ সালে চট্টগ্রামে হাবিবুল বাশার ও জাভেদ ওমরের করা ১৩১ রানের জুটি ছিল সর্বোচ্চ।
ফের ব্যাট ছুড়ে রাগ ঝাড়লেন লিটন!
রোনালদোকে দেখতে সাইকেলে ১৩ হাজার কিলোমিটার পাড়ি!
বাতাসে উড়ছে স্টাম্প, তাকিয়ে দেখছেন অসহায় মুশফিক