স্ত্রীসহ নিক্সন চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৪:৫২ পিএম

ফরিদপুরের সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী), তার স্ত্রী তারিন হোসেনকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে জামালপুরের সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা আজম ও আওয়ামী লীগ নেতা ডা. এইচ বি এম ইকবালের ছেলে প্রিমিয়ার প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান মঈন ইকবালের ক্ষেত্রেও একই আদেশ দেওয়া হয়।  

বুধবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভাপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়া এই আদেশ দেন। দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন ও সৈয়দ আতাউল কবির পৃথকভাবে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এই আবেদন করেছিলেন।

আবেদনে বলা হয়, মজিবুর রহমান চৌধুরীর (নিক্সন চৌধুরী) ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক।

বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, নিক্সন চৌধুরী ও তার স্ত্রী তারিন হোসেন সপরিবারে গোপনে দেশত্যাগ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে।

মির্জা আজমের আবেদনে বলা হয়, মির্জা আজম ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে দেশে-বিদেশে শত শত কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে ইতোমধ্যে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মির্জা আজম ও তার পরিবারের সদস্যগণ দেশ ত্যাগের চেষ্টা করছেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে মির্জা আজম এর বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

মঈন ইকবালের আবেদনে বলা হয়, মঈন ইকবালের বিরুদ্ধে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজশে ২৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। তিনি দেশ ছেড়ে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। সুতরাং, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

এ ছাড়া সার্বিক অনুসন্ধান কাজে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান কার্যক্রমের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত