উপেক্ষিত উপকূলীয় অঞ্চল

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৪, ১২:০৮ এএম

বেশ কয়েক বছর আগে দুটি সংবাদ শিরোনাম ছিল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে আয়োজিত একটি মানববন্ধন তথা স্মারকলিপি প্রদান প্রয়াস সভাকে টিয়ার গ্যাস ছুড়ে ছত্রভঙ্গ এবং  সুন্দরবনের বাঘ পাচার সংক্রান্ত সংঘবদ্ধ দলের কীর্তিকলাপ সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এখনো এ দুটো প্রসঙ্গকেই বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতির সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে দেখার অবকাশ রয়েছে।      

বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ৭১০ কিলোমিটার, এর মধ্যে সুন্দরবন ১২৫ কিলোমিটার, নদীর মোহনা ও ছোট-বড় দ্বীপমালা ২৭৫ কিলোমিটার, সমতল ও সমুদ্রসৈকত ৩১০ কিলোমিটার। টেকনাফের নাফ নদীর মোহনা থেকে সাতক্ষীরা জেলার সীমান্ত নদী রায়মঙ্গল-কালিন্দী পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ১৪টি উপকূলীয় জেলায় বিস্তৃত বাংলাদেশের উপকূলেই দেশের প্রধান দুটি সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মংলা, বিশে^র সেরা গহিন গরান বন সুন্দরবন এবং বিশে^র অন্যতম অখ-িত (আনব্রোকেন) সমুদ্রসৈকত বা বেলাভূমি কক্সবাজার অবস্থিত। দেশের শতকরা ২৫ ভাগ জনগণ যেমন এই উপকূল অঞ্চলে বসবাস করে তেমনি জাতীয় অর্থনীতিতে জিডিপির কমবেশি প্রায় শতকরা ২৫ ভাগ অবদানও এই অঞ্চলেরই। অথচ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্র্ণ হওয়া সত্ত্বেও এই অঞ্চল, এর অবকাঠামো এবং বসবাসকারী জনগণের অর্থনৈতিক জীবন নানান দৈব দুর্বিপাক, বৈষম্য, অবহেলা আর অমনোযোগিতার শিকার।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘমেয়াদে সুন্দরবন তথা উপকূলীয় কৃষি অর্থনীতিতে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে তা পুনরীক্ষণ প্রয়োজন।  এ ব্যাপারে যে প্রতিবাদ উঠেছিল কিংবা এর সপক্ষে সরকারের তরফে যে যুক্তি, তা সবার স্বার্থেই স্পষ্ট হওয়া দরকার ছিল। কার বা কাদের স্বার্থে বিগত সরকার রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অটল থাকে এবং সুন্দরবনের বাঘ পাচার রোধে এখনো কেন কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যগোচর হয়নি। এ বিষয়ে কয়েক দিন আগে সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা নিয়ে সংবাদ সরকারের দায়িত্বশীল মহল থেকে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। ব্যাংকের টাকা লুট করা এবং তা পাচার করার ব্যাপারে দেশের দায়িত্বশীল রেগুলেটর নীরব থাকায় বাংলাদেশ অর্থনীতির আজ যে হাল দাঁড়িয়েছে তেমনি সুন্দরবনের বাঘ পাচার তথা সেখানকার জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বন সংরক্ষক দপ্তর ও বিভিন্ন বাহিনীকে জবাব দিহির আওতায় আনা হবে না?  

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানচিত্র

ভারত সাগরের উত্তর পূর্বভাগে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের পশ্চিম উপকূলে ২০.২৫ ও ২৩.২ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩৫ ও ৯২.২৪ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে বঙ্গোপসাগরের ভৌগোলিক অবস্থানই এমন যে, কথায় কথায় তার মেজাজ বিগড়ে যায়, মৌসুমি সঞ্চরণশীল মেঘের অবারিত অভিসার যেমন তাকে নাচায়, তেমনি জাতীয় কবি নজরুলের ক্ষুধিত বন্ধু সে তৃষিত জলধি যার চিত্ত শত ক্ষুধার উদ্রেক করে উপকূলবাসীর জীবন তছনছ করতে তার আনন্দ যেন বেশি। বলা নেই, কওয়া নেই প্রায়ই সে উত্তাল থাকে। তার মন পবনের ঠিকানা বাংলাদেশের আবহাওয়া দপ্তর ঠাঁই পায় না। তার এই প্রায়শ পাগলামি সুন্দরবন বরাবরই মাথা পেতে নিয়ে সাতক্ষীরা খুলনা বাগেরহাট পিরোজপুর বরিশাল বরগুনা পটুয়াখালীকে শেলটার দিলেও পাথরঘাটা থেকে চট্টগ্রামের ছাগলনাইয়া অবধি অরক্ষিত উপকূলকে  উপদ্রুত রাখা বা করাতেই যেন তার তৃপ্তি। ১৭৯৭ থেকে শুরু করে আইলা পর্যন্ত সময়ের শুমার পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে মোট ৪৭৮ বার মাঝারি ও মোটা দাগের জলোচ্ছ্বাস, গোর্কি, হারিকেন, সিডর, নার্গিসেরা বাংলাদেশের উপকূলকে ক্ষতবিক্ষত করেছে। ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ১৭৩ বছরে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে ৩২৯টি, এসেছে গড়ে ৫-১০ বছর পরপর, কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশ এর বিগত ৪০ বছরে ১৪৯টি ঝড় বা জলোচ্ছ্বাস ঘটেছে ঘন ঘন। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সর্বশেষ সিডর আর আইলার আঘাতে স্বয়ং সুন্দরবনও পর্যুদস্ত হয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চল প্রকৃতির বিরূপ আচরণের প্রথম ও প্রত্যক্ষ শিকার সবসময়। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতির সুরতহাল রিপোর্ট পর্যালোচনা করলে এটা প্রতিভাত হয়ে ওঠে যে, জাতীয় অর্থনীতির আন্তঃসলিলা শক্তির উদ্বোধন যার হাতে, সেই সবচেয়ে বিবর্ণ। বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরো অর্থনীতির অনেক প্রবণতার সূচক সন্ধানে কালাতিপাত করে। কিন্তু উপকূলীয় জেলাগুলোর আর্থ-সামাজিক চালচিত্র, খানাপুরী থেকে শুরু করে ভূমি বণ্টন ব্যবস্থা, চাষাবাদের হালহকিকত, প্রাণী সম্পদের সালতামামিসহ অনেক কিছুরই বাস্তবতার ব্যাখ্যা নেই। উপকূলীয় অঞ্চল যেন শুধু দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মাথাব্যথা সূত্রে সমুপস্থিত শুধু আকালের দিনে নাকালের মোহনায় এবং একমাত্র মিডিয়ায়।

বঙ্গোপসাগরের তীরে ও গহিন বনের নীড়ে গড়ে ওঠা গাঙ্গেয় বদ্বীপ বাংলাদেশ যেন প্রকৃতির এক বিচিত্র বিলাস। তার মাথার ওপর হিমালয় পর্বত, সাইবেরিয়ার হিমবাহ ঠেকিয়ে চলে অবিরত, পায়ের নিচে বঙ্গোপসাগর তার ধোয়ায় পা প্রতিনিয়ত। সে কারণেই কর্কট ক্রান্তি রেখার ওপর দাঁড়িয়েও চরম নয় তার আবহাওয়া। এটি নাতিশীতোষ্ণতার, মৌসুমি বায়ুর বরমাল্য বরিষণে বাংলা সতত সবুজ শস্যশ্যামল। তাই  দ্বিজেন্দ্রলালের কথাই ঠিক ‘ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’, তার সঙ্গে এ কথাও ঠিক এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি’। প্রকৃতি বাংলাদেশ আর তার বাসিন্দাদের ভালোবাসা দিয়ে রানী করেছে আবার ভিখারিও বানিয়েছে। তাদের হঠাৎ এমন করে জাগিয়ে দেয় যে, ‘জ¦লে পুড়ে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়’। আবার হঠাৎ তাদের ঘুমের রাজ্যেও পাঠায়। তাদের অবস্থা পদ্মার পলিমাটির মতো ‘পানিতে ভিজে নরম কাদা আবার শুকিয়ে গেলে কঠিন খট খইট্টা’। অসম্ভব চাহিদা অথচ অল্পতে তুষ্ট, সময় পেলে অকর্মণ্য অলসতায় সময় করে পার, ‘আমার বলার কিছু ছিল না’ বলে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকানোয়, অন্যের ওপর দোষ চাপানোয়, আক্ষেপ বেদনা প্রকাশেই প্রাণান্ত, সৃজনশীলতায় ধৈর্যের বড়ই অভাব।

আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে সুন্দরবনের মূল আয়তন ছিল প্রায় ১৬,৭০০ বর্গকিমি। বর্তমানে সংকুচিত হয়ে এর আয়তন প্রায় এক-তৃতীয়াংশে পৌঁছেছে। ১৯৪৭-এ দেশ ভাগের সময় এর দুই-তৃতীয়াংশ পড়েছে এধারে। বাকিটা ওধারে, ভারতে। বাংলাদেশ অংশে বনভূমির বর্তমান আয়তন প্রায় ৪,১১০ বর্গকিমি, এর প্রায় ১,৭০০ বর্গকিমি জলাভূমি। এখানে চারটি প্রশাসনিক রেঞ্জ বুড়িগোয়ালিনী, খুলনা, চাঁদপাই এবং শরণখোলা আর আছে ১৬টি ফরেস্ট স্টেশন। ১৮৭৫ সালে প্রথম সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বনভূমির প্রায় ৩২,৪০০ হেক্টর এলাকাকে অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৯৯৯ সাল সুন্দরবনকে UNESCO World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আদেশ (সংশোধন), ১৯৭৪-এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৭ সালে সুন্দরবনের অভয়ারণ্যগুলো (sanctuaries) প্রতিষ্ঠিত হয়। পশ্চিম (৯,০৬৯ হেক্টর), দক্ষিণ (১৭,৮৭৮ হেক্টর) এবং পূর্ব (৫,৪৩ হেক্টর) এই তিন এলাকায় এটি বিভক্ত।

স্বাধীনতা লাভে দেশের সমাজ ও অর্থনীতিতে যতগুলো পরিবর্তন তথা সাফল্যজনিত সূচক শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তার মধ্যে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জন অন্যতম। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে দেশের জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি। সে সময় চাষাবাদযোগ্য ২৫৫ লাখ একর জমিতে ১০০ লাখ টন ধান উৎপাদিত হতো, সে তুলনায় ২০০৮ সালে জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৪০ লাখে দাঁড়ালেও এ সময় ২৬১ লাখ একর জমিতে ধান উৎপাদিত হয়েছে ২৯০ লাখ মেট্রিক টন অর্থাৎ প্রায় ৩ গুণ। দ্বিগুণ বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য তিন গুণ বর্ধিত খাদ্যশস্য উৎপাদন নিঃসন্দেহে খাদ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি বা সাফল্য। ১৯৭০ থেকে ২০০৮ সময়ে বাজেটে ক্রমান্বয়ে কৃষি খাতের জন্য বরাদ্দের হিস্যা যথেষ্ট হ্রাস (১৯ থেকে ৭ শতাংশ!) পাওয়া সত্ত্বেও এই প্রবৃদ্ধি একটি নীরব বিপ্লবের সাক্ষ্য বহন করে আর এর অগ্রসাধক হল দেশের আপামর কৃষক সমাজ।  

এই প্রেক্ষাপটে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতির অবদান তুলনামূলকভাবে নিম্নমুখী। উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি খাত প্রধানত শস্য ও অশস্য (নন ক্রপ) এ দুভাগে বিভক্ত। প্রথমত বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত হওয়ার কারণে খাদ্যশস্য উৎপাদন তুলনামূলকভাবে এ ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায়নি। একটি পরিশীলিত সমীক্ষা গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা যায় ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৭ সালের মধবর্তী মাত্র ১৩ বছরে জাতীয় পর্যায়ে যেখানে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ শস্য (খাদ্য ও অর্থকরী ফসল) উৎপাদিত হয়েছে, সেখানে উপকূলীয় অঞ্চলে একই সময়ে শস্য উৎপাদন বাড়েনি বরং কমেছে। উজান থেকে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানে চাষাবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেলেও চাষাবাদ পদ্ধতি প্রক্রিয়ায় নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েও কাক্সিক্ষত ফল ততটা আসেনি যতটা অশস্য অর্থকরী খাতে অর্থাৎ মৎস্য চাষসহ প্রাণিসম্পদ চাষ ও বিকল্প পণ্য উৎপাদন ক্ষেত্রে এসেছে। অশস্য খাতে আপাত ব্যাপক সাফল্যের ফলে কৃষি থেকে গড়পড়তায় জিডিপিতে এখনো সমানুপাতিক হারে অবদান (২৫-২৩ শতাংশ) রেখে চলেছে এই অঞ্চল। অশস্য খাতের সাফল্যকে টেকসই করা যেমন প্রয়োজন একই সঙ্গে শস্য উৎপাদনে, জমির সঠিক ব্যবহারে, উপায় উপাদান সরবরাহে, চাষ পদ্ধতিতে আধুনিক প্রযুক্তির সমাবেশ ঘটানোয় এবং এমনকি ভূমি প্রশাসনেও সংস্কার আবশ্যক। মোদ্দা কথায় সময়ের পেক্ষাপটে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে যে পরিবর্তন সূচিত হচ্ছে তার গতিপ্রকৃতি বিচার বিশ্লেষণ জরুরি। এজন্য যে একে যথাসময়ে যথাপ্রযতœ প্রদান করা সম্ভব না হলে, উষ্ণায়নের প্রভাবক ক্ষয়ক্ষতিকে নিয়ন্ত্রণ ও মোকাবিলা করা সম্ভব না হলে সমূহ সম্ভাবনাময় একটি গুরুত্বপূর্র্ণ অংশের আবদান থেকে অদূর ভবিষ্যতে জাতীয় অর্থনীতি বঞ্চিত হবে। পাশাপাশি সময়ের অবসরে জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এটি গোটা দেশ ও অর্থনীতির জন্য দুর্ভাবনা-দুর্গতির কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে। দেশের অন্যতম দুটি সামুদ্রিক বন্দর, প্রাকৃতিক সম্পদের স্বর্গ সুন্দরবন এবং পর্যটন সম্ভাবনা সমৃদ্ধ কক্সবাজারকে কার্যকর অবস্থায় পাওয়া জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অভিযাত্রার জন্য যে কত জরুরি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।  সাম্প্রতিককালে সিডর ও আইলায় সুন্দরবন এবং সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার মানুষ ও অন্যান্য প্রাণিসম্পদের ওপর যে দুর্বিষহ ও নেতিবাচক প্রভাব প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়, তাতে উপকূলীয় কৃষি অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবার অবকাশ রয়েছে।

লেখক: সাবেক সচিব

উপকূলীয় অর্থনীতি বিশ্লেষক

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত