৭ নভেম্বর রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন ও ছুটি ঘোষণা করতে হবে : ফারুক

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:০৭ এএম

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন এবং সরকারি ছুটি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা জানেন ’৭৫ সালের ৩ থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কীভাবে ভারতের এজেন্টরা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। অবশেষে ৭ নভেম্বর এ দেশের সিপাহি-জনতা সেই চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং তাদের চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দেয়। এ কারণে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়ে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর পরিকল্পিতভাবে ঐতিহাসিক দিনগুলোকে জনগণের দৃষ্টির অন্তরালে নিয়ে যান। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের দাবি থাকবে, ৭ নভেম্বরকে আগের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করার। এতে দেশের জনগণ যেমন আওয়ামী চক্রান্ত সম্পর্কে সচেতন হবে, তেমনি দেশের গণতন্ত্র ও তাদের ভূমিকা সম্পর্কে অবগত থাকবে।’  ৭ নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারি ছুটি পুনর্বহালের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ‘বাংলাদেশ উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিষদ’ এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিষদের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা মো. রমীজ উদ্দিন রুমির সভাপতিত্বে আরাফাত রহমান আবিরের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহ, ভিপি ইব্রাহীম, অ্যাডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম রবি, এম জাহাঙ্গীর আলম, যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান, প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি কালাম ফয়েজী, জাগ্রত বাংলাদেশর সভাপতি ও দৈনিক খোলাবাজার পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রকাশক মো. জহিরুল ইসলাম কলিম প্রমুখ।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে ফারুক বলেন, ‘আপনারা দ্রুত নির্বাচন দিন।   দেশি-বিদেশি চক্রান্ত প্রতিহত করার জন্য একটি শক্তিশালী নির্বাচিত সরকারের খুব প্রয়োজন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত