হিলিতে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:১৩ পিএম

বাজারে যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম উর্ধ্বমুখির কারণে সংসার চালাতে সাধারণ মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন সময়ে তাদের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে দিনাজপুরের হিলিতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুলভমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য পেয়ে দারুণ খুশি কার্ডধারী মানুষজন। 

সোমবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় হাকিমপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজ চত্বরে টিসিবির এই পণ্য বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আজমীর শেখ। এ সময় সেখানে টিসিবির ডিলার আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। 

টিসিবির পণ্য নিতে আসা আফরোজা বানু বলেন, এবারে ৪৭০টাকা দিয়ে ৫ কেজি চাল ২ লিটার সয়াবিন তেল ও ২ কেজি মশুরের ডাল পাচ্ছি। এই পণ্য বাজারে কিনতে গেলে ৬শ’ টাকার বেশি লাগতো। এখানে বাজার মূল্যের চেয়ে খানিকটা কম দামে পাচ্ছি যার কারণে কিনছি। এতে করে আমাদের সংসারের সুবিধা হলো কম দামে পাচ্ছি টাকা কম লাগছে।  

টিসিবির পণ্য নিতে আসা সিদ্দিক হোসেন বলেন, বাজারে তো চাল ডাল তেলের দাম উর্ধ্বমুখি যার কারণে সংসার চালাতে গিয়ে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। কিন্তু এখানে যে চাল ডাল ও তেল দিচ্ছে তাতে করে বাজারের চেয়ে আড়াইশো টাকার মত কমে কিনতে পারলাম। এতে করে আমাদের মত গরীব মানুষদের অনেকটা সুবিধা হলো।

টিসিবির পণ্য নিতে আসা আব্দুল হামিদ বলেন, বাজারে ৫০টাকার নিচে কোনো চাল নেই আর এখানে চাল পাচ্ছি ৩০টাকা কেজি দরে। আর মশুরের ডাল ১শ’ টাকার উপরে কিন্তু এখানে পাচ্ছি ৬০টাকা কেজি দরে। এছাড়া সয়াবিন তেল বাজারে দেড়শো টাকার মত কিন্তু এখানে পাচ্ছি ১শ টাকা লিটার হিসেবে। সবকিছু হিসেব করে বাজার মূল্যের চেলে অনেকটা কম দামেই এখানে পণ্য কিনতে পারছি । যাতে করে আমাদের মত নিম্ন আয়ের মানুষদের বেশ সুবিধা হয়েছে। তবে এসব পণ্যের সাথে সাথে যদি চিনিসহ অন্য যেসব পণ্যের দাম উর্ধ্বমুখি সেগুলো দিলে আমাদের জন্য ভালো হয়।

হাকিমপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আজমীর শেখ বলেন, সোমবার হাকিমপুর সরকারি ডিগী কলেজ মাঠে ২৮তম পর্যায়ে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এবারে ৪৭০ টাকা প্যাকেজ মূল্যে ১শ টাকা লিটার দরে ২ লিটার করে সয়াবিন তেল, ৩০টাকা কেজি দরে ৫ কেজি করে চাল, ৬০টাকা কেজি দরে ২ কেজি করে মশুর ডাল দেওয়া হচ্ছে। পৌরসভার ৩টি ওয়ার্ডে ৮৫৫জনের মাঝে এই পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ১০ হাজার ৫শ ৭১ জনের মাঝে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এই পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে যেন টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম চলে। কার্ডধারী মানুষজন যেন সুন্দরভাবে টিসিবির পণ্য নিতে পারেন সেটি নিশ্চিত করা হচ্ছে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত