প্রায় ১৬ বছর আগে রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে মামলায় বিচারিক আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করতে ২০ জন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
গত রবিবার আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করে।
নিয়োগপ্রাপ্ত বিশেষ পিপিরা হলেন মো. বোরহান উদ্দিন, ফরহাদ নিয়ন, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, মোসাম্মৎ রোভানা নাসরিন শেফালী, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো. শফিউল বশর সজল, গোলাম মোক্তাদির উজ্জ্বল, হান্নান ভূঁইয়া, মো. আবদুল লতিফ, মো. মেহেদী হাসান জুয়েল, গাজী মাশকুরুল আলম সৌরভ, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. জিল্লুর রহমান, মাহফুজার রহমান ইলিয়াস, মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, মো. মেহেবুব হোসেন, মো. মিজানুর রহমান শিহাব, মো. খুরশিদ আলম ও আজগর হোছাইন।
এর মধ্যে বোরহান উদ্দিন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ফরহাদ নিয়ন ও জাকির হোসেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং অন্য ১৭ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদার সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৭ জন বিশেষ পিপির নিয়োগ বাতিল করা হয়।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেয় বিচারিক আদালত। খালাস পান ২৭৮ জন। পরে ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদ- বহাল থাকে। যাবজ্জীবন সাজা হয় ১৮৫ জনকে। এ ছাড়া ২২৮ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- এবং ২৮৩ জনকে খালাস দেয় হাইকোর্ট।
