পরশুরামে জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক প্রবাসীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। আহত প্রবাসী তাজুল ইসলাম আরজুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব অলকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী আমেনা আক্তার বাদী হয়ে পূর্ব অলকা গ্রামের শামছুদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে এয়াকুব ভূঁইয়াসহ ৬ জনকে আসামি করে শুক্রবার (৮ নভেম্বর) পরশুরাম মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ২।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তাজুল ইসলাম আরজুর ক্রয় করা সম্পত্তি একই এলাকার এয়াকুব ভূঁইয়া, মো. ওসমান গণি, ফাইজ, মো. ফাহিম, আবদুল কুদ্দুছ মজুমদার ও ফাতেমা আক্তার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এ সময় তাজুল ইসলাম আরজু বাঁধা দিলে ইয়াকুব ভূঁইয়া তাজুল ইসলামকে বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায়ে উল্লেখিত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে উপর্যপুরি মারতে থাকে এবং দা দিয়ে কোপাতে থাকে। এতে তাজুল ইসলামের মাথায় মারাত্মক জখম হয়। এ সময় তাজুল ইসলাম আরজুর গায়ের পরনে থাকা শার্টের পকেট হতে ৪ হাজার ৫ শ টাকা নিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে তাজুল ইসলাম আরজুকে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছেন একই এলাকার মো. আলীর ছেলে মো. ওসমান গণী, মো. ওসমানের ছেলে ফাইজ ও মো. ফাহিম, মৃত জুলকু মিয়ার ছেলে আবদুল কুদ্দুছ মজুমদার ও মো. ওসমানের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার হুলু।
পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সরকারি কর্মকর্তারা যেভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন
রাজধানীর ১৩ জায়গায় মিলবে কম দামে ডিম