এবাদত হোসেন ভুগছিলেন এন্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ইনজুরিতে। যে চোটকে বলা হয় অ্যাথলেটদের ক্যারিয়ার বিনাশী হিসেবে। কোনো খেলোয়াড়ের স্বর্ণযুগ কেড়ে এই চোট। এমন চোটে আক্রান্ত হয়ে এই পেসার খেলতে পারেননি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। তবে দীর্ঘ প্রতিকূলতা পেরিয়ে চোট থেকে মুক্ত হয়ে জাতীয় ক্রিকেট লিগে সিলেট বিভাগের হয়ে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রবিবার বিকেলে ফিরেছেন বোলিংয়ে। মাঠে নেমে ১৫ ওভার বল ঘুরিয়ে পেয়েছেন ১ উইকেট। ২ মেডেনের সঙ্গে খরচ করেছেন মাত্র ৩০ রান।
এবাদতের ফেরার ম্যাচে সিলেটও আছে ভালো অবস্থানে। তাদের করা ৪৯৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে খুলনা গুটিয়ে গেছে ২৭৩ রানে। ২২৩ রানে পিছিয়ে থাকায় ফলো-অনে পড়েছে তারা। নাবিল সামাদের বলে অধিনায়ক অমিত হাসান টিপু সুলতানের ক্যাচ নিতেই শেষ হয় খুলনার ব্যাটিং ইনিংস। সঙ্গে তৃতীয় দিনের খেলারও সমাপ্ত হয়। দলের পক্ষে এনামুল হক বিজয় সর্বোচ্চ ৮৮ রান করেন। এছাড়া আফিফ ধ্রুব করেন ৫৪ রান। এদিকে এবাদত মাত্র ১ উইকেট পেলেও সিলেটের আরেক পেসার খালেদ আহেমদ নিয়েছেন ৩ উইকেট। স্পিনার নাবিল সামাদের ঝুলিতেও আছে তিনটি উইকেট। এছাড়া নাইম আহমেদ দুটি ও রাহাতুল ফেরদৌস জাবেদ নিয়েছেন তিনটি উইকেট। চতুর্থ দিন সকালেই জানা যাবে খুলনাকে সিলেট ফলোঅন করাবে কি না।
ওদিকে তৃতীয় দিনেই জয় তুলে নিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। প্রথম ইনিংসে ৩১৮ রান করা বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় মাত্র ৭৭ রানে। চট্টগ্রাম ৩১৩ রানে থেমেছিল বলে লিড ছিল ৫ রানের। সেটা যোগ হলেও চট্টগ্রামকে ৮৩ রানের মাত্র লক্ষ্য দেয় তারা। যা সহজেই টপকে গিয়ে ৮ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে সাগর পাড়ের বিভাগটি। ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি ৯৯ রান করে আউট হয়েছেন। তবে চট্টগ্রামের আরেক ব্যাটসম্যান শাহাদাত হোসেন দিপু করেছেন ১১৬ রান। তাদের ব্যাটে ৩১৩ রানে থামার পর দলটির বোলাররা নামান বরিশালের ব্যাটিং ধস। মো. আশরাফুল হাসান নেন ২২ রানে ৬ উইকেট। নাইম হাসানের ঝুলিতে যায় আরও ৩ উইকেট। তাতেই জয়ের ভীত গড়ে উঠে।
অপর ম্যাচে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে জয়ের সুবাস পাচ্ছে রংপুর বিভাগ। জয় থেকে আর মাত্র ৪ উইকেট দূরে তারা। ২৬৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা রাজশাহীর দ্বিতীয় ইনিংসের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছে রংপুরের বোলাররা। প্রথম ইনিংসে দুই দলই ১৮৯ রানে অলআউট হয়েছিল। অধিনায়ক আকবর আলি করেছেন ৭৭ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুর ২৬২ রান করে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ২ নম্বর গ্রাউন্ডে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ঢাকা মেট্রো এগিয়ে আছে ১৭৫ রানে। ঢাকা বিভাগ ৩১৫ রানে থেমেছে প্রথম ইনিংসে। এর আগে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংসে থামে ৩০৪ রানে। তারপর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৬ রান তুলতে নেই মেট্রোর ৬ উইকেট। দলটির হয়ে আমিনুল ইসলাম বিপ্লব করেছেন ৮২ রান। মো. এনামুল হক নিয়েছেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট।
রাফির চার রেকর্ড হয়ে গেলো
দলের ২৫০-মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরি, কিছুই হলো না