দলের ২৫০-মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরি, কিছুই হলো না

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:১৯ পিএম

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৪ রানে আউট হওয়ার কথা ছিল! কিন্তু বাংলাদেশের ৩৯ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে তিনি করেছেন ৯৮ রান। ৯৮ বলে তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭ চার ও ৩ ছক্কায়। তার রানে ফেরার দিনে আফগানিস্তানকে ২৪৫ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। যদিও তার সামনে সুযোগ ছিল সেঞ্চুরি করার। এমনকি আড়াইশো ছাড়িয়ে যাওয়ারও সুযোগ ছিল। কিন্তু কোনোটাই হলো না।

এই ম্যাচে নেই নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার বদলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এটা আবার তার শততম ওয়ানডে। সেই ম্যাচে নেমে তিনি করেছেন ৬৬ রান। ১১৯ বলে তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৪টি চারের সাহায্যে। মূলত তাদের ব্যাটেই বাংলাদেশ পেয়েছে ২৪৪ রানের পুঁজি।

টসে জিতে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল বেশ ভালো। ৮.৩ ওভারে সৌম্য ২৩ বলে ২৪ করে আউট হওয়ার আগে ওপেনিং জুটিতে উঠেছে ৫৩ রান। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। ৩৯ বলের মধ্যে সৌম্যসহ পড়েছে মোট ৪ উইকেট। রান উঠেছে ১৯। আউট হয়ে ফিরেছেন সৌম্য, তানজিদ, জাকির ও হৃদয়। তখনই ত্রাতা হয়ে আসেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনেই দলকে টেনে তুলেন খাঁদের কিনারা থেকে। গড়েন ১৪৫ রানের জুটি।  

পঞ্চম উইকেটে ১৮৮ বলে ১৪৫ রানের জুটি গড়েন মিরাজ ও মাহমুদউল্লাহ। এই জুটিতে মাহমুদউল্লাহর অবদান ৮২ বলে ৮৪। মিরাজের অবদান ১০৪ বলে ৫৯। নিজের শততম ওয়ানডে ও অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকে মিরাজ স্বচ্ছন্দে ব্যাটিং করতে না পারায় অন্য প্রান্তে রানের গতি ঠিক রাখার চেষ্টা করেছেন মাহমুদউল্লাহ। ৫৫.৪৬ স্ট্রাইক রেটে ১১৯ বলে ৬৬ রানে মিরাজ আউট হওয়ার পর মাহমুদউল্লায় টিকে ছিল আশা। ২০০৫ সালে লিডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১১৩ বলে ফিফটি করেছিলেন জাভেদ ওমর। তারপর বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে মিরাজের ফিফটিই মন্থরতম। আজ ১০৬ বলে ফিফটি পেয়েছেন।

শেষ ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে শেষ ৫ ওভারে উঠেছে ৪ উইকেটে ৩৯! অর্থাৎ শেষ ৫ ওভার মানে ফিনিশিংটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

আফগানিস্তানের হয়ে ৭ ওভারে ৩৭ রানে ৪ উইকেট নেন ওমরজাই। ৩৭ রানে ১ উইকেট নেন নবী। ৪০ রানে ১ উইকেট রশিদের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত