রাজধানীর অদূরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) আব্দুল মতিনকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাধা ও হত্যা মামলার আসামি আরও একজন সাবেক সংসদ সদস্য, একজন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
গ্রেপ্তার বাকিরা হলেন নরসিংদী-৩ আসনের সাবেক এমপি ও যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, কলাবাগান থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি কাউছার এবং ধানম-ি নিউ মডেল ডিগ্রিী কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান আল রোমান।
গতকাল সিরাজুল ইসলাম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয় ধানম-ির আসাদ গেট এলাকা থেকে। এরপর তাকে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি ইফতেখার হাসান বলেন, ‘তার (সিরাজ) বিরুদ্ধে আড়াইহাজারসহ নারায়ণগঞ্জের দুটি থানায় মামলা আছে। সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দেওয়া হয়েছে।’
এ ছাড়া গত রবিবার মধ্যরাতে বাকি তিনজনকে কেরানীগঞ্জ ও রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত রবিবার রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের চর ওয়াশপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে মতিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ‘মমতাজ মহল’ নামে ওই বাড়িটি তার স্ত্রীর নামে বলে জানিয়েছেন মতিন। আব্দুল মতিন বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার চর খাগকাটা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত সহকারীর পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন।
এদিকে রাজধানীর কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কাউছার হাওলাদার (৫৫) ও হাসান আল-রোমানকে (৩২)। তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি মিডিয়া শাখার উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
