কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রাসেল হোসেনকে আটক করেছে ছাত্র-জনতা। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর এলাকা থেকে আটকের পর তাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
রাসেল হোসেন উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের জাহেদপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে মোটরসাইকেলযোগে রাসেলসহ দুইজন শহরের মজমপুর গেট এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্র-জনতা তাকে চিনে ফেলে। এ সময় মোটরসাইকেল থামিয়ে রাসেলকে মারধর করে ছাত্র-জনতা। পরে মডেল থানা পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেওয়া হয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সাবেক সদস্য সদস্য ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জ সংসদ সদস্য থাকাকালীন টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধ বালু উত্তোলনসহ নানা অভিযোগ ছিল রাসেলের বিরুদ্ধে। চলতি বছরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শিহাবুর রহমান বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর মডেল থানায় দায়ের হওয়া একটি নাশকতা মামলার আসামি ছিলেন রাসেল। তাকে কঠোর নজরদারিতে রেখেছিল পুলিশ। বিকেলে লোকেশন জানতে পেরে পুলিশ তাকে মজমপুর গেট থেকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দুই একটা কিল-ঘুষি মেরে থাকতে পারে। তার বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে।
বাবা-মা বিয়ের কথা বলায় দশম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা
মাকে হত্যা করে ফেসবুকে দুই দুইটা পোস্ট দেয় মাদরাসা ছাত্র সাদ