ফিফা প্রীতি ম্যাচে লক্ষ্য থাকে একটাই, র্যাংকিংয়ে উন্নতি আনা। বাংলাদেশ সেটা চেয়েছিল খুব করে। আগামী মার্চে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পেতে তাদের নামটা তুলতে হতো ড্রয়ের তিন নম্বর পটে। সেটা করতে মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রীতি সিরিজের দুই ম্যাচই জিততে হতো। তবে সেই লক্ষ্য এখন আর থাকছে না। ঘরের মাঠে প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেও মালদ্বীপের কাছে ১-০ গোলে হারতে হয়েছে। এই হারের ব্যাখ্যা নেই চুক্তির ক্রান্তিলগ্নে পৌঁছে যাওয়া কোচ হাভিয়ের কাবরেরার কাছে। এই স্প্যানিশের কাছে এমন হার ভীষণ বেদনাদায়ক।
এই ম্যাচটা বাংলাদেশ জিততে পারতো কমপক্ষে তিন-চার গোলের ব্যবধানে। কাবরেরার মতে, এই ম্যাচেই তার শীষ্যরা অনেক বেশি গোলের সুযোগ তৈরী করেছে, যার একটিও গোলে পরিণত করতে পারেনি। মালদ্বীপকে বাগে পেয়েও হারাতে না পারা, উল্টো হেরে যাওয়ায় হতাশ কাবরেরা অবশ্য ভালো খেলার কৃতিত্বটুকু দিয়েছেন শীষ্যদের, 'এমন হারের ব্যাখ্যা দেওয়া ভীষণ কঠিন। এই হার খুবই বেদনাদায়ক। আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছি, গোল করতে পারিনি। তারপরও ছেলেদের নিয়ে গর্বিত। প্রথমার্ধে এটা (গোল) অনেকবার হতে পারতো। কিন্তু সত্যি বলতে ওরা গোল করতে পারেনি। পরের ম্যাচে আমরা একই রকম আত্মবিশ্বাস, একই রকম আক্রমনাত্মক হয়ে খেলতে নামবো।'
ভুটানের বিপক্ষে গত সেপ্টেম্বরে হারের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে কাবরেরা বলেন, 'আমরা ভুটানের সঙ্গে একই ভুল করেছিলাম। এমন একটা ফ্রি-কিক থেকে গোল খেয়েছি। সেট পিস নিয়ে আমরা উদ্বিঘ্ন। আমাদের এটা নিয়ে আরও কাজ করতে হবে। তারপরও আমি মনে করি মানুষ উপভোগ করেছে ম্যাচটা। জাতীয় দল নিয়ে আমরা ইতিবাচক। আমরা জিতলে হয়তো পট-থ্রি (এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ড্রয়ের) তে যেতে পারতাম। এখন আর কোন সম্ভাবনা দেখছি না।'
দলের হারে গোলকিপার মিতুল মারমার ভুলের অবদান আছে। কাবরেরা অবশ্য হাত রাখছেন প্রিয় শীষ্যের কাঁধে, 'দলের প্রত্যেক গোলকিপারই খেলার জন্য প্রস্তুত। তবে আমি মনে করি মিতুল অন্যদের চেয়ে এগিয়ে আছে বলেই তাকে খেলানো হয়েছে। এমন ম্যাচ খেলা সবসময় কঠিন যখন ১৫ মিটার পেছন থেকে ডিফেন্স লাইন অনুসরণ করে খেলতে হয়। মিতুল দুইশ ভাগ আত্মবিশ্বাসী ছিল। তাই ওকে নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন নেই।'
মালদ্বীপ কোচ আলী সুজেইনের জন্য এই জয়টা বাড়তি স্বস্থির। একে তো এই মাঠেই সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হেরে তাদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয়পর্ব খেলা হয়নি। তার ওপর বাংলাদেশের মাটিতে স্বাগতিকদের প্রথম হারানোর সুযোগ ছিল এই ম্যাচ। এই জয়ে দুটি স্বার্থ সিদ্ধি হয়েছে তার। তাই ম্যাচ শেষে জয়ের সব কৃতিত্ব শীষ্যদের দিয়েছেন মালদ্বীপ কোচ।
ভারত-পাকিস্তান বিরোধ নিয়ে জটিল পরিস্থিতিতে আইসিসি
ব্রাজিলের কথা বললেও আর্জেন্টিনার নামই নিলেন না সাম্পাওলি