রামপুরা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ ৫ লাখ টাকা চেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নজরুল ইসলাম শাহীন নামে এক ব্যক্তি। খিলগাঁও এলাকার ওই বাসিন্দা গতকাল সোমবার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ৯ আগস্ট সকালে আলমগীর হোসেন জীবন, বাবু, জীবনের ভাগ্নে রিপন, হারুন-অর-রশিদসহ আরও অনেক সন্ত্রাসী আমাদের সম্পত্তির উত্তর দিকের প্রাচীর ও কাঁচাপাকা ঘর ভেঙে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে ১৭টি কাঁচাপাকা ঘর ও গোডাউন ভেঙে ফেলে। ওই গোডাউনে রক্ষিত ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোফাইল টিনসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সম্পত্তির কেয়ারটেকার মকবুল হোসেনের মেয়ে সোনিয়া এবং সোনিয়ার স্বামী সোলায়মান আসামিদের ভাঙচুর ও লুটপাট কাজে বাধা দেন। কিন্তু আসামিরা দেশীয় অস্ত্রের সাহায্যে হত্যার ভয় দেখিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করতে থাকে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শিথিল থাকায় আমরা থানা পুলিশের কোনো সহায়তা নিতে পারিনি।
তিনি বলেন, প্রায় ৩ কোটি টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে যায় ও ১ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় একটি এজাহার লিখে রামপুরা থানার ওসির কাছে গেলে তিনি পরদিন আসতে বলেন এবং পরদিন গেলে ওসি তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রামপুরা থানার ওসি আতাউর রহমান আকন বলেন, আমি ২৩ আগস্ট রামপুরা থানায় যোগদান করেছি। আর এ রকম টালমাটাল অবস্থায় এ ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য কি না, তা নিয়ে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন। ওসি আরও বলেন, এটা ভুয়া এবং এই ব্যক্তি রামপুরা থানায় কোনো দিন আসেননি আর আমার কাছে তো নয়ই।
