নিয়মিত সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং সওয়াবের কাজ। এ সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। হজরত রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকাল বেলা তিনবার ‘আউজুবিল্লাহিস সামিয়িল আলিমি মিনাশ শাইতানির রাজিম’ পড়ে সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত তেলাওয়াত করে, আল্লাহতায়ালা ওই ব্যক্তির জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করেন, যারা ওই ব্যক্তির জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকে। আর এ সময়ের মধ্যে যদি লোকটি মারা যায়, তাহলে সে শহীদের মৃত্যু লাভ করবে। আর যে ব্যক্তি এটি সন্ধ্যার সময় পড়বে, তার জন্যও একই মর্যাদা রয়েছে।’ (সুনানে তিরমিজি)
সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের উচ্চারণ : ‘হুআল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলিমুল গাইবি ওয়াশ শাহাদাদি, হুয়ার রাহমানুর রাহিম। হুআল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মুমিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। ছুবহানাল্লাহি আম্মা ইয়ুশরিকুন। হুআল্লাহুল খালিকুল বারিউল মুছাওয়িরু লাহুল আসমাউল হুসনা। ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়া হুয়াল আজিজুল হাকিম।’
অর্থ : তিনিই আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন, তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা। তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তিও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্মশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা থেকে পবিত্র। তিনিই আল্লাহ, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নামগুলো তারই। নভোমণ্ডলে ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে, সবই তার পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়। (সুরা হাশর ২২-২৩-২৪)
