পাবনার সুজানগরে একটি তেলের ডিপোতে লাগা আগুনে প্রায় ২০টি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন অন্তত ৫ জন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার হাসপাতাল গেটের সামনের হেলাল হাজারী মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুজানগরের ইউএনও মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ।
অগ্নিদগ্ধরা হলেন, সুজানগরের আজমতের ছেলে জসিম (২৫), রেজাউলের ছেলে রাব্বি (২৪), রেজাউল ইসলামের ছেলে মিরাজুল (১৯), তেলের দোকানদার জনাব (৪০) ও শাহজাদপুরের রতনকান্দির মোজাহারের ছেলে জবর আলী (৪৫)। এঁদের মধ্যে জনাবের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ অগ্নিদগ্ধ হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই মার্কেটের একটি দোকান তেলের ডিপো হিসেবে পরিচিত। সেখানে তেল লোড আনলোডের সময় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। দোকানে ব্যাপক তেল থাকায় এবং আশেপাশে অনেক দাহ্য পদার্থ থাকায় মুহূর্তের মধ্যেই আগুন প্রায় ২০ টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে সুজানগর, সাঁথিয়া, বেড়া ও পাবনা সদর সহ কয়েকটি স্টেশনের ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট কয়েক ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ১২ টার দিকে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখনও কিছু কিছু দোকান পুড়ছে বলেও জানা গেছে।
এ ঘটনায় ড্রাইভার, দোকানদার ও দোকান শ্রমিক সহ অন্তত ৫ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। তারা পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) জাহিদুল ইসলাম জানান, সুজানগর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাত সাড়ে ১০ টা থেকে সাড়ে ১১ টার মধ্যে ৫ জন অগ্নিদগ্ধ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একজনের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং অন্যান্যদের ১০-১৫ শতাংশ শরীর অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।
সুজানগরের ইউএনও মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ থাকায় কোনোভাবেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিলো না। পরে সুজানগর সহ আশেপাশের ফায়ার সার্ভিসের ৬ টি ইউনিটের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কতো তা ভুক্তভোগীদের সাথে কথা না বলে বলা সম্ভব হচ্ছে না।
ত্রিপুরা থেকে আনারস ও কাঁঠাল কেনা বন্ধ করলে তারা না খেয়ে মরবে: কর্নেল অলি
দেশবাসী ও সমর্থকদের সংযমের আহ্বান তারেক রহমানের