২০০২ বিশ্বকাপ জয়ের পর পিএসজি থেকে বার্সেলোনায় পাড়ি জমালেন ব্রাজিল সুপারস্টার রোনালদিনহো। বিশ্ব ফুটবলেই তখন রোনালদিনহোর জয়জয়কার। এদিকে কাতালান ক্লাবটির যুব একাডেমিতে বেড়ে উঠছে এক ফুটবল বিস্ময়; নাম- লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার মহাতারকার বার্সেলোনার মূল দলে যাত্রা শুরু হয় রোনালদিনহোর সময়েই।
প্রথম দেখাতেই রোনালদিনহো বুঝে গিয়েছিলেন, মেসিই হতে যাচ্ছেন আগামীর বিশ্বসেরা। তারপর শুরু হয় মেসির নতুন ইতিহাস গড়ার পালা। বার্সা ছাড়ার সময় মেসির হাতেই বিশ্বসেরার ব্যাটন তুলে দিয়ে যান ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি। ক্যারিয়ারের শেষপ্রান্তে এসেও তাই রোনালদিনহোকে ভুলেননি মেসি। বার্সায় যে কয়েকজন মানুষ তার ক্যারিয়ারে অবদান রেখেছেন, রোনালদিনহো তাদেরই একজন।
শুক্রবার মুন্দো দোপার্তিভোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মেসি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন সেইসব মানুষদের প্রতি। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ক্লাবের কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব তার ওপর প্রভাব ফেলেছে? জবাবে মেসি বলেন, ‘আমি মনে করি, দুজন মানুষ ভিন্ন কারণে আমার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রথমজন পেপ (গার্দিওলা), যাকে আমি অনেক বছর কোচ হিসেবে পেয়েছি। আমরা এমন অবিশ্বাস্য কিছু অর্জন করেছি, যা অকল্পনীয় ছিল।’
এরপরই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেছেন রোনালদিনহোর কথা, ‘অন্যজন হলেন রোনালদিনহো। তিনি আমাকে যেভাবে (বার্সেলোনার মূল দলে) স্বাগত জানিয়েছিলেন, যেভাবে আমাকে সাহায্য করেছিলেন, দলে আমার শুরুর মুহূর্তগুলোর জন্য সেটা খুবই জরুরি ছিল। আমি আন্দ্রেস (ইনিয়েস্তা) এবং জাভিকে (হার্নান্দেজ) সতীর্থ হিসেবে সবসময় স্মরণ করি। এছাড়া যে তিনজন আমার সঙ্গে মায়ামিতে খেলেন (বুসকেটস, আলবা সুয়ারেজ) তারা আমার বন্ধুও। এবং অবশ্যই টিটো ভিলনোভাকে আমরা খুবই মিস করি।’
স্টার্কের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে দুইশ রানও করতে পারেনি ভারত
আইসিসির বিরুদ্ধে শীতল লড়াইয়ে বেন স্টোকস
ব্রাজিল-পর্তুগালের ক্লাবের বিপক্ষে খেলবেন মেসি, মুখোমুখি ভিনিসিয়ুস–নেইমার