আগামী সপ্তাহে সমাবেশ করার জন্য সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও দেশটির কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এছাড়াও গত ২৫ নভেম্বর পিটিআইয়ের বিক্ষোভ মিছিলে দমনপীড়নের বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও কর্মীদেরও মুক্তি না দিলে অসহযোগ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) এক্স-এ এক পোস্টে ইমরান খান সমর্থকদের ১৩ ডিসেম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এছাড়াও ২৫ নভেম্বরের বিক্ষোভ মিছিলে দমনপীড়ন এবং গত বছরের ৯ মে সহিংসতায় তার অন্তত ১২ জন সমর্থক নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন ইমরান খান। গ্রেপ্তার হওয়া সব রাজনৈতিক কর্মীদেরও মুক্তির দাবি জানানো হয়।
যদি এ দুটি দাবি মানা না হয়, তবে ১৪ ডিসেম্বর থেকে একটি আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হবে এবং যেকোনো পরিণতির জন্য সরকারকে দায়ী করা হবে বলে পোস্টে বলা হয়।
এদিকে পাকিস্তান সরকার ২৫ নভেম্বরের বিক্ষোভ মিছিলে প্রাণহানির ঘটনা অস্বীকার করেছে। বরং ইমরান খানের সমর্থকরা গত বছরের ৯ মে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল অভিযোগ দেশটির কর্তৃপক্ষের।
৯ মের হামলার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ইমরান খানকে অভিযুক্ত করা হয়, যার জন্য তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। গত বছরের শেষ দিক থেকে কারাগারে থাকা ৭২ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেট তারকার বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলার মধ্যে এটি সর্বশেষ অভিযোগ।
ইমরান খান ও তার দল বলছে, ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে সেনাবাহিনীর জেনারেলদের সঙ্গে মতবিরোধের পর তাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই এসব মামলা সাজানো হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বাংলাদেশ নিয়ে বিদ্বেষ, সাবেক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
নিজ দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের