একের পর এক নতুন নতুন এলাকার দখল নিচ্ছে সিরিয়ার বিদ্রোহী বাহিনী। এদিকে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ তার সরকারের শেষ শক্ত ঘাঁটি দামেস্ককে শক্তিশালী করতে সব ধরনের সামরিক বাহিনী ও রসদ নিয়োগ করছেন। সিরিয়ার রাজধানী রক্ষার জন্য এ লড়াই একটি জটিল সন্ধিক্ষণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সহিংস লড়াইয়ের পর স্থানীয় উপদলগুলো সেখানকার অনেক সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী সূত্রগুলো বলছে— তারা সেনাবাহিনী প্রত্যাহার এবং সামরিক কর্মকর্তাদের প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে রাজধানী দামেস্কে নিরাপদ পথ দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে।
এদিকে উত্তরাঞ্চলে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী বলছে, তারা হোমসের চারপাশে বিমান হামলা চালাচ্ছে এবং কৌশলগত শহরটির প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া বিদ্রোহীদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
জানা গেছে, বিদ্রোহী বাহিনী দারা'র নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং হোমস শহরের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছেছে, যদিও দারা এখনো পুরোপুরি দখল করতে পারেনি। এদিকে, আসাদ সরকার মধ্য কুনেইত্রার দেইর আয-জোর, সুওয়াইদ এবং মাশারা গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো থেকে পিছু হটেছে, যার ফলে কৌশলগত এলাকাগুলো বিরোধীদের অগ্রগতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
যুদ্ধ পর্যবেক্ষণের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সিরিয়ার বাহিনী দামেস্ক থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল) দূরে শহরগুলোতে সরে গেছে, যদিও সেনাবাহিনী এটি অস্বীকার করেছে এবং বিবিসি এটি যাচাই করতে পারেনি।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) শুক্রবার জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্রোহীরা ডেরা অঞ্চলের ৯০ শতাংশের বেশি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
জন্মহার বাড়াতে টোকিওতে সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি
২০২৫ সালে ‘শনিবারও স্কুল খোলা’- তথ্যটি সঠিক নয়