সামরিক আইন জারির চেষ্টার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অভিশংসন করতে ব্যর্থ হয়েছেন দেশটির আইনপ্রণেতারা। ক্ষমতাসীন পিপলস পাওয়ার পার্টির (পিপিপি) অনেক সংসদ সদস্য ভোট বর্জন করায় বিল পাসের জন্য প্রয়োজনীয় ২০০ ভোটের চেয়ে ৫ ভোট কম পড়ে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, শনিবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্টকে অভিশংসন করতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছিল। অভিশংসন বিলটি পাস হওয়ার জন্য জাতীয় পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার ৩০০ আসনের পার্লামেন্টে ১৯২টি আসন রয়েছে বিরোধী দলগুলোর। যার অর্থ কমপক্ষে আটজন পিপিপির এমপিকে পক্ষে ভোট দিতে হত।
তবে ইউনের দল পিপিপি ভোটের আগে চেম্বার ছেড়ে চলে যায়। পরে পিপিপির মাত্র ৩ সদস্য ভোট দেন।
এএফপি জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন দল ভোট বয়কট করার পর প্রয়োজনীয় কোরাম পূরণ করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত অভিশংসন প্রস্তাব পাস হতে পারেনি।
জাতীয় পরিষদের স্পিকার উ ওন-শিক বলেছেন, মোট ১৯৫ ভোট পড়েছে। ভোট দেওয়া সদস্যের সংখ্যা মোট সদস্যের প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়নি। তাই আমি ঘোষণা করছি যে, এই ভোট বৈধ নয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ইউন। এ কারণে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন আইনপ্রণেতারা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিক্ষোভের মুখে সামরিক আইন জারির ঘোষণা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট।
সিরিয়ায় খেলা হোক, যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে জড়াবে না: ট্রাম্প
পালিয়ে ইরাকে আশ্রয় নিয়েছে সিরিয়ার ২ হাজার সেনা