প্রায়ই আপনার অফিসে দেরি হয়। এ সমস্যা দূর করা একান্ত প্রয়োজন। কীভাবে দুর করবেন জানা দরকার। লিখেছেন সৈয়দ আখতারুজ্জামান সময়নিষ্ঠ না হলে যে ক্ষতি
অফিসে দেরি করে আসায় বসের কাছে নিজের অবস্থান ছোট হয়ে যায়।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও অন্যদের কাছেও ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।
ভালো কাজ করেও অফিসে দেরি করে আসার ফলে মøান হয়ে যায়।
অধস্তনদের সময় নিয়ে কোনো কিছু বলতে পারেন না।
উন্নতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় এই ব্যাপারটি।
কেন অফিসে দেরি করেন
মানসিকভাবে সময়নিষ্ঠ হওয়ার জন্য প্রস্তুত নন।
আপনার সময়ের হিসাব ঠিক নয়।
সময়নিষ্ঠ না হওয়ায় যে ক্ষতি হয় তা নিয়ে ভ্রƒক্ষেপ নেই।
ভাবমূর্তি সম্পর্কে সচেতন নন।
দেরি করে যাওয়ার ফলে কোনো সমস্যা হয় না।
যা করবেন
প্রতিদিন অফিসে দেরি হওয়া মানসিক সমস্যাজনিত বিষয়। মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করা যাতে অফিসে দেরি হতে পারে সে সব কারণ থেকে নিজেকে সব সময় সতর্ক রাখা যায়।
মানসিক প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নিজে নিজে ভাবুন, নিজেকে সময় দিন এবং নিজেকে বোঝানÑ অফিসে দেরি হওয়া আপনার কর্মজীবনে দুর্যোগ বয়ে আনতে পারে।
অফিসে দেরি হওয়ার কারণ বের করুন। কোন কারণটি সবচেয়ে বেশি বার আছে, তারপর কোনটি, তারপর কোনটি। এভাবে শক্তিশালী আর দুর্বল কারণগুলো চিহ্নিত করুন। এ অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করুন।
কারও সঙ্গে আলোচনা করুন এবং প্রয়োজনে তার সাহায্য নিন।
প্রতিদিন যে সময় বাসা থেকে বের হন সামনের এক সপ্তাহ তার চেয়ে আধা ঘণ্টা আগে বের হন।
প্রতিদিন যে সময় ঘুম থেকে ওঠেন তার চেয়ে আধা ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠুন।
তেমনি প্রতিদিন আগের থেকে আধা ঘণ্টা আগে ঘুমাতে যান। এভাবে এক সপ্তাহ প্রতিদিন আধা ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে ওঠা ও আধা ঘণ্টা আগে বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান।
আলসেমি বাদ দিন। আপনার মানসিক প্রস্তুতি এ সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে।
সময় মেনে চলতে পারা অভ্যাস মাত্র। চর্চাতে এ অভ্যাস গড়ে ওঠে। সুতরাং কিছুদিন চর্চা করুন যাতে অভ্যাস হয়ে যায়।
রাতেই সব ঠিক করে রাখুন। কোনোমতেই অফিস যাত্রার আগে কিছু করতে যাবেন না। মনে রাখবেন, অফিসে পৌঁছতে যতটা সময় লাগে তারচেয়ে অন্তত আধা ঘণ্টা আগে বাসা থেকে বের হবেন।
