ঘন কুয়াশার কারণে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে প্রতিদিনই সকালের ফ্লাইট চলাচলে শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা শূন্য মিটারে নামায় গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১টা পর্যন্ত কয়েকটি ফ্লাইট বিমানবন্দরে নামতে পারেনি। এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
গতকালের সোমবার রাতের দুইটি বিমানের রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় জেলার ঢাকাগামী বেশ কিছু যাত্রী সৈয়দপুরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা সকালের বিমানে ঢাকা যাবার চেষ্টা করলেও বিমান নামতে পারেনি। তবে আজ মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক এ কে এম বাহাউদ্দিন জাকারিয়া বলেন, হঠাৎ সৈয়দপুরের আকাশে ভিজিবিলিটি প্রায় শূন্যে নেমে আসায় সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে এয়ার অ্যাস্ট্রা ও নভোএয়ারের দুটি ফাইট বাতিল করা হয়। আজ দুপুরের মধ্যে আবহাওয়ার উন্নতি হলে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হতে পারে।
সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম জানান, আজ সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিমান চলাচলের জন্য ২০০০ মিটার ভিজিবিলিটি (দৃষ্টিসীমা) থাকার কথা থাকলেও এখন আছে মাত্র ১০০ মিটার। এর ফলে সকালের দুটি ফ্লাইট বেলা ১২টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে ছেড়ে আসেনি।
চলতি মৌসুমে ঘন কুয়াশার কারণে শীতকালে বিমানবন্দরটিতে সকাল ও রাতে শিডিউল মেনে ফাইট চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না।
জানা যায় সৈয়দপুর বিমান বন্দরের পাশেপাশে রয়েছে তিস্তা সেচ ক্যানেল, খরখরিয়াসহ বিভিন্ন নদী ও বিল। এতে ওই এলাকার সমতল ও আকাশ ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে। ফলে প্রায় প্রতিদিনই শিডিউল বিপর্যয়ে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। আজ সকালের এয়ার অ্যাস্ট্রা ও নভোএয়ারের ফাইট এখনো সেখানে অবতরণ করেনি।
এদিকে নীলফামারী রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার ওবায়দুল ইসলাম জানান, রাতের ঘন কুয়াশার কারণে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল করছে। এর ফলে ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেনগুলো এক থেকে দুই ঘণ্টা বিলম্বে নীলফামারীতে আসছে। আর এ কারণে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। তবে কুয়াশা কেটে গেলে এবং ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক বন্ধের পরবর্তী দিবসে স্বাভাবিক নিয়মে চলাচল করবে।
দূরপাল্লার নাবিল পরিবহনের কোচ কাউন্টার এজেন্ট রবিউল আউয়াল রবি জানান, ঘন কুয়াশায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নৈশ কোচগুলো সর্বনিম্ন দুই ঘন্টা দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছেছে। দূর্ঘটনা এড়াতে হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবহনগুলো ধীরগতিতে চলাচল করছে। ফলে গন্তব্যে পৌছাতে সময় লাগছে বেশী।
অর্থ পাচার মামলায় তারেক রহমানের সাজা স্থগিত
হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন শমী কায়সার
ডিবি হারুনের বিলাসবহুল রিসোর্টে অভিযান, যা পেল এনবিআর