ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করেছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। যাদের মধ্যে চারজন কর্মকর্তা ডিএমপির উত্তরা বিভাগের। এর মধ্যে তিনজন পর পর দু'বার শ্রেষ্ঠ হয়েছেন।
তারা হলেন— ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দীন সামী, ক্রাইম উত্তরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার সাদ্দাম হোসাইন, উত্তরা পশ্চিম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান। আর প্রথমবারের মতো শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্ট যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন উত্তরা পূর্ব-ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে নভেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি , কিশোর গ্যাং, অপহরণ, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের দ্রুত সময়ে রহস্য উদ্ঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার, অপরাধ দমন এবং সর্বাধিক ওয়ারেন্ট তামিল, লক্ষ্য পূরণ করাসহ ভালো কাজের বিশেষ ভূমিকা রাখার উত্তরা পশ্চিম থানা মাসিক শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া আমাদের জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার সাদ্দাম হোসাইন এসি হিসেবে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন। এ নিয়ে আমরা পর পর দু'বার শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, এই অর্জন আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। আমার সিনিয়র স্যার ও আমার অফিসারদের সহযোগীতার কারণে এতো বড় একটি অর্জন সম্ভব হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দীন সামী স্যারের দায়িত্ব নেয়ার পর, স্যারের দিক নির্দেশনায় সবাই আন্তরিকতাভাবে কাজ করার মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ। আমরা অক্টোবর ও নভেম্বর পরপর দু'বার ট্রাফিক উত্তরা বিভাগ শ্রেষ্ঠ হয়েছি। এবার প্রথমবারের মতো আমাদের একজন ট্রাফিক সার্জেন টিএসআই শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট হয়েছে।’ এ সাফল্য অর্জনের পেছনে সবার অবদান রয়েছে বলে তিনি জানান।
সংগীতশিল্পী পাপিয়া সারোয়ার আর নেই
চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ, দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন