কোস্টগার্ডের নিরাপত্তায় সেন্টমার্টিন গেল পণ্যবাহী ৭ ট্রলার

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:৪৫ এএম

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কক্সবাজারে কোস্টগার্ডের নিরাপত্তায় সেন্টমার্টিন গেল পণ্যবাহী সাতটি ট্রলার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন টেকনাফের ইউএনও শেখ এহেসান উদ্দিন। এসব ট্রলারে অন্তত ৫০ জন যাত্রীও সেন্টমার্টিনে যান বলে জানান তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে ট্রলার মালিক ও চালকদের নাফ নদীতে সকল ধরণের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। বুধবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন নৌযান চলাচলে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এর প্রেক্ষিতে বুধবার নাফ নদীর সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা প্রশাসন মাইকিং করে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে। তবে বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে বলে জানায় প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরও শতভাগ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর আরাকান আর্মি নাফ নদীর মিয়ানমারের অংশে অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

এর প্রেক্ষিতে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা।

ইউএনও শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রচারিত বিবৃতিতে নাফ নদীর মিয়ানমার অংশ দিয়ে মাছ ধরার ট্রলারসহ যে কোনও ধরণের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নাফ নদীর বঙ্গোপসাগরের মোহনার আগে বাংলাদেশ অংশ বেশ কয়েকটি ডুবোচর রয়েছে। এতে বড় ধরণের নৌযানগুলোকে নাফ নদীর কিছুটা দূরত্ব মিয়ানমার অভ্যন্তর দিয়ে চলাচল করতে হয়। সীমান্তে ঝুঁকি এড়াতে উপজেলা প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাফ নদীতে সব ধরণের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত