ঋণ পরিশোধে ২০১৯ সালের নীতি চায় বিটিএমএ

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ০২:৪৪ এএম

বর্তমানের কঠিন পরিস্থিতিতে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, ওয়েজ, গ্যাস-বিদ্যুতের বিল এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ মেটানোর জন্য টেক্সটাইল মিলগুলোর পক্ষে সম্ভব নয় দাবি করে ইন্টারেস্ট-অনলি লোন ব্যবস্থা শুরু করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। এছাড়া ঋণ পরিশোধে গত এপ্রিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ঋণ আদায়ের দাবিও জানায় সংগঠনটি।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে দেখা করে এ দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল গণমাধ্যমকে তথ্যটি জানিয়েছেন।

ইন্টারেস্ট অনলি লোনের ব্যাখ্যা দিয়ে সংগঠনটি বলছে, ইন্টারেস্ট অনলি লোনের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শুধুমাত্র সুদ পরিশোধ করবেন এবং মূল ঋণের অর্থ (প্রিন্সিপাল) পরিশোধের জন্য সময় পাবেন। এই ব্যবস্থা যুক্তরাজ্যে অনেক জনপ্রিয়। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আগামী ২ বছরের জন্য চলমান সব ঋণের ক্ষেত্রে বর্ণিত ব্যবস্থার বাস্তবায়ন করার জন্য গভর্নরের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বিটিএমএ। মঙ্গলবার গভর্নরের কাছে ১০টি দাবি উত্থাপন করেন পোশাক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের নেতারা।

এ দশটি দাবির একটি হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা একটি প্রজ্ঞাপনের কারণে মেয়াদি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে মনে করে বিটিএমএ। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডির প্রজ্ঞাপন বাতিল করে ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপন ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

ব্যাংকের গৃহীত ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি চলতি বছরের ৮ এপ্রিল একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, একটি মেয়াদি ঋণ-বিনিয়োগের কোনো কিস্তি নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে পরিশোধ করতে না পারলে, বর্ণিত ঋণ নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী তিন মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ওভারডিউ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ৩১ মার্চ ২০২৫ তারিখ থেকে সব ঋণ তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ না করলে তা ওভারডিউ হবে।

বিটিএমএ বলছে, এই মুহূর্তে রপ্তানিমুখী প্রাইমারি টেক্সটাইল সেক্টরের ইন্ডাস্ট্রিগুলোর পক্ষে মেয়াদি ঋণের কিস্তি পরিশোধ অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত