হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত কুড়িগ্রাম

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম

কুড়িগ্রামে কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে মানুষ। ঘন কুয়াশা না থাকলেও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি হওয়ায় ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। ফলে সূর্যের আলোতেও তেমন একটা উষ্ণতা পাচ্ছে না জেলার ১৬টি নদীর অববাহিকার দরিদ্র মানুষজন। সেই সঙ্গে উত্তরীয় হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছে ঠান্ডার মাত্রা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে-খাওয়া, শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১-১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে বলে জানিয়েছে রাজারহাট আবহাওয়া অফিস।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, তাপমাত্রা আরও নিম্নগামী হচ্ছে। সেই সাথে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এবং হিমালয়ের হিম বাতাসের কারণে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের  কৃষি শ্রমিক আজিজুল হক  বলেন, দিনে সূর্য উঠলেও ঠান্ডা বাতাসের কারণে স্বস্তি লাগে না। ফলে খেতে কাজ করা কষ্টকর হয়। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডায় ঘর থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

যাত্রাপুর ইউনিয়নের ভ্যানচালক আব্দুল বাতেন বলেন, তিন দিন ধরে কুয়াশা কম। তবে ভ্যানে উঠলে প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাসে হাত পায়ে কাঁপুনি আসে। শরীর অবশ হওয়ার মতো হয়। কিন্তু উপায় তো নেই! রোজগার না করলে পরিবারকে খাওয়াবো কী?

অপরদিকে শীতে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ। ফলে হাসপাতালে বাড়ছে সর্দি, কাশি ও শাসকষ্ট জনিত রোগী।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, শীত নিবারণের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দের ২৭ লাখ টাকা ও ১২ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। নতুন করে বরাদ্দ পাওয়ামাত্র তা বিতরণ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত