জামায়াত ও সেনাবাহিনী পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক শক্তি : ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৩৪ পিএম

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সেনাবাহিনী ও জামায়াতে ইসলামী দেশে পরীক্ষিত দুটি দেশপ্রেমিক শক্তি। দেশকে ভারতের কাছে ইজারা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত ৯ টায় রংপুরের পাগলাপীরে জামায়াত আয়োজিত পথসভায়  তিনি এসব কথা বলেন। 

আমির বলেন, ‘২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসে। তার দুই মাস যেতে না যেতেই আমরা লক্ষ করলাম, পিলখানায় ৫৭ জন সেনা অফিসারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়। হত্যা পর লাশ ড্রেনে ভাসিয়ে দিয়েছিল। রাতের বেলা বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়ে খুনীদের পালানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। বিডিআরের সদস্যদের দফায় দফায় গ্রেপ্তার করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘দেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান চারটি ধর্মের মানুষ পাশাপাশি বসবাস করি। হিংসা-বিদ্বেষ নেই বললেই চলে। আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই দৃষ্টান্ত পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে আমরা শিখেছি। কিন্তু আওয়ামী লীগ ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যাগুরু এবং সংখ্যালঘু হিসেবে এ দেশের মানুষকে আখ্যায়িত করেছে।’

ডা. শফিক বলেন, ‘এ দেশে পরীক্ষিত দুটি দেশপ্রেমিক শক্তি আছে, একটা সেনাবাহিনী আরেকটা জামায়াতে ইসলামী। আগেই সেনাবাহিনীর ক্ষতিসাধন করেছে। জামায়াতকে তছনছ করে দিতে পারলে তারা যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে। তারা জমিদার হয়ে পড়বে আর দেশের মানুষকে তারা ভাড়াটিয়া বানাবে। এভাবেই ষড়যন্ত্র করেছিল তারা। কিন্তু মালিক বাড়ি ছেড়ে পালায় না। ভাড়া দিতে না পেরে ভাড়াটিয়া পালায়। এখন কে পালিয়েছে, ভাড়াটিয়ারা পালিয়ে গেছে।’

জামায়াত আমির বলেন, ২০০৭ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত তারা সংখ্যালঘু বলে যাদের জন্য মায়াকান্না করেছিল তারাই তাদের জায়গা-জমি অন্যায়ভাবে সব দখল করে রেখেছিল। তাদের সম্পদের ওপর হাত দিয়েছে আওয়ামী লীগ। তাদের ইজ্জতের ওপরেও হাত দিয়েছে। এই সময়ে এসে তারা (আওয়ামী লীগ) মায়াকান্না করে এবং দোষ চাপায় এ দেশের দেশপ্রেমিক মানুষ বিশেষ করে যারা নিষ্ঠাবান মুসলমান তাদের ওপরে।’

পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতা মাহবুবুর রহমান বেলাল, এ টি এম আযম খান, এনামুল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত