বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বানিজ্য মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, আমরা নির্বাচন চাই। তার আগে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন, জুডিশিয়ারি, পুলিশ বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ঢেলে সাজাতে হবে। তবে এর জন্য কেয়ামত পর্যন্ত অপেক্ষা করা যাবে না।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আলতাফ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের বেশকিছু অঞ্চল দখল করে ভারত তাদের দেশকে প্রসারিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। গত ১৬ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ তারই ইঙ্গিত বহন করে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের নতুন নাম দেয়াসহ নতুন পতাকা ও সরকারের রূপরেখাও দিয়েছে তারা। আমাদের মধ্যে থেকে কতিপয় র-এর এজেন্ট তাদের এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করছে।
অপরদিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর, ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করছে। বাংলাদেশে হাজার হাজার হিন্দু নির্যাতন করা হচ্ছে, বাড়িঘর ছাড়া করা হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলছে। অথচ বিবিসি একটি গ্রহণযোগ্য সংবাদ মাধ্যম, তারা কিন্তু সচিত্র প্রতিবেদনে দেখিয়েছে বাংলাদেশে এ ধরনের কোনো নির্যাতন হচ্ছে না। ভারত বাংলাদেশকে একটি নতজানু দেশ হিসেবে দেখতে চায়। যেভাবে শেখ হাসিনা দেশকে ভারতের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল। আগামী দিনে আমরা সেই বাংলাদেশ দেখতে চাই না। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতসহ অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মর্যাদা এবং অংশীদারিত্ব ভিত্তিক সম্পর্ক দেখতে চাই।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া শহীদ মিনার মাঠে পৌর বিএনপি আয়োজিত এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মোশাররফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর বাংলাদেশটাকে শোষণ, লুটপাট করেছে। শেখ হাসিনার শাসন আমলে মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। সব এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান ছিল শেখ হাসিনার। কিন্তু তারাও শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে পারেনি, দেশ থেকে তাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাননি। তিনি আমাদের বলেছিলেন তিনি মারা গেলে শহীদ জিয়াউর রহমানের পাশে কবর দিতে।
উল্লেখ্য, তুরস্কের একটি এনজিওর অর্থায়নে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এসব উপহার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। জেলার ৫শ ইমাম এবং গত ১৫ বছরে বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার ৫শ বিএনপি নেতা কর্মী এবং জুলাই আগষ্ট মাসের গনঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে এসব উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়।
নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত সমস্যা সমাধান হবে না: কর্নেল অলি
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু
বিগত ৩ নির্বাচনে কারচুপির প্রশ্রয়দাতাদের শাস্তির সুপারিশ করবে কমিশন
ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর নিহত