দিনের আলো কমে আসতেই বদলে গেল উইকেটের চরিত্র। ব্যবহৃত পিচে শিশিরের ছোঁয়ায় বল স্কিড করছিল, অধিকাংশ বলই আসছিল নিচু হয়ে। ব্যাটসম্যানদের বিপদ বাড়িয়ে দুই দলই দেখাল পেস আক্রমণের দুর্দান্ত প্রদর্শনী। শেষ পর্যন্ত সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ৩৪ রানে হারিয়ে আসরে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল রংপুর রাইডার্স। ৪ উইকেট শিকার করে রংপুরের জয়ের নায়ক নবীন পেসার নাহিদ রানা।
মিরপুর শেরেবাংলায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৫৫ রান তোলে রংপুর রাইডার্স। বল হাতে আগ্রাসী হয়ে ওঠেন দুই পেসার তানজিম সাকিব আর আল-আমিন হোসেন। এই দুজনেই ধসিয়ে দেন রংপুরের টপ অর্ডার। মাত্র ২৮ রানে ৩ উইকেট পতনের পর দুই পাকিস্তানি ইফতিখার আহমেদ আর খুশদিল শাহর ৩৮ বলে ৪১ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় রংপুর। ৪২ বলে ৪ চার ১ ছক্কায় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন ইফতিখার। এরপর অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৪১ রানে রংপুর চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে। শেষদিকে শেখ মাহেদীর (৮ বলে ১৬*) অবদানও কম নয়। সিলেটের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন তানজিম সাকিব আর আল আমিন।
রান তাড়ায় নেমে রংপুর পেসারদের তোপের মুখে পড়ে সিলেটের ব্যাটাররা। বিশেষ করে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন হালের পেস সেনসেশন নাহিদ রানা। ৪৩ রানে ৩ উইকেট পড়লে ৪৮ রানের জুটিতে হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার (৩৩ বলে ২৪) এবং জাকের আলী (৩৬ বলে ৪১)। কিন্তু তাদের ধীরগতির ব্যাটিং সিলেটের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ ৬ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় ৬৫ রানের। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম দুই বলে রনি আর আরিফুলকে (০) ফেরালেও হ্যাটট্রিক হয়নি খুশদিলের। তৃতীয় বলে আম্পায়ারের এলবিডাব্লিউয়ের সিদ্ধান্ত বদলে যায় রিভিউয়ে। শেষ পর্যন্ত রংপুর ৯ উইকেটে ১২১ রান পর্যন্ত যেতে পারে। ২৭ রানে ৪ উইকেট নেন নাহিদ রানা। দুটি করে নেন সাইফউদ্দিন আর খুশদিল।
ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশে বাংলাদেশের তাসকিন
সাকিব কি দেখেছেন মিরাজের মহানুভবতা?