ফেনীর রানীরহাট এলাকা থেকে বয়োবৃদ্ধ এক নারী ও ছোট ফেনী নদীর সোনাগাজীর গোপালগাঁও অংশ থেকে এক ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরহেদ দুটি ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে ফেনীর রানীর হাট দারোগা বাড়ির নিজ ঘর থেকে সামছুন্নাহার (৮৯) নামে এক বয়োবৃদ্ধ নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি আবদুল খালেকের স্ত্রী ও ছয় সন্তানের জননি।
স্থানীয় ও প্রতিবেশীরা জানান, সামছুন নাহার পরিবারের সঙ্গে ওই ঘরেই বসবাস করতেন। বয়স ৮৯ হলেও তিনি নিজেই হাঁটাচলা করতে পারতেন। গত কয়েকদিন আগে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সামছুন নাহারের ছেলে বউ ও নাতিরা বেড়াতে যায়। শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই ঘরে বৃদ্ধা একাই ছিলেন। সকালে ঘরের দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকে বৃদ্ধার মরদেহ দেখতে পায়।
ফেনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে শয়নকক্ষ ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে কোন আঘাত দেখা যায়নি, তবে ঘরে জিনিসপত্র এলোমেলো দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের পর হত্যা নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু জানা যাবে।
অপরদিকে, এদিন সকাল ১১টার দিকে ছোট ফেনী নদীর সোনাগাজী উপজেলার গোপালগাঁও অংশে একটি ভাসমান মরদেহ দেখে থানায় খবর দেয় এলাকাবাসী।
পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের শরিয়ত উল্যাহ মেম্বারবাড়ি সংলগ্ন ছোট ফেনী নদীতে ভেসে আসা যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা সোনাগাজী থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সকাল ১০টায় ওই স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করে সোনাগাজী মডেল থানায় নিয়ে আসে। পরে লাশটির মালিকানা শনাক্ত করতে না পেরে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী মর্গে পাঠায়। স্থানীয়দের ধারণা লাশটি গত তিন থেকে চারদিন আগের হতে পারে এবং এটি অন্য এলাকা থেকে ভেসে এসেছে।
সোনাগাজী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বায়েজিদ আকন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় এবং মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
নাফ নদীতে কোস্টগার্ডের সঙ্গে গোলাগুলি
তীব্র শীতের মধ্যেই বৃষ্টির বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস