ধর্মেন্দ্রকে বিয়ে করায় হেমা মালিনীকে ছুরি হাতে ধাওয়া!

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:৫০ পিএম

সানি দেওল তখন বেশ বড় হয়েছেন। ঠিক এমন সময়ে বয়সে অনেক ছোট হেমা মালিনীর প্রেমে পড়েন বাবা ধর্মেন্দ্র। তাদের প্রেম এত নিবিড় ছিল যে পরিবারের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও একপর্যায়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। বিষয়টি ভালোভাবে নেননি ধর্মেন্দ্রর প্রথম পক্ষের বড় ছেলে। শোনা যায়, হেমার ওপর নাকি আক্রমণও করে বসেন তিনি।

বাবার বিয়ের খবর পেয়ে ছুরি নিয়ে ধাওয়া করেন হেমাকে। সত্যিই কি তাই? ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী ডিভোর্স দিতে নারাজ ছিলেন। বাধ্য হয়েই ধর্ম বদলে বিয়ে করেন হেমা-ধর্মেন্দ্র। এ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সানির মা প্রকাশ কউর। বড় ছেলের যে হেমাকে পছন্দ নয় এ কথা মেনে নিয়েছিলেন। তবে হেমাকে মারতে গিয়েছিল ছেলে– এ কথা মানতে নারাজ।

তার কথায়, এই অভিযোগ সত্য নয়। সব সন্তানই চায় বাবা শুধু তার মাকেই ভালোবাসবে। কিন্তু এর মানে এটা নয় যে অন্য নারীকে সে আক্রমণ করে বেড়াবে। আমি খুব বেশি লেখাপড়া করিনি। তবে আমার ছেলেদের চোখে আমিই সবচেয়ে সুন্দরী। ছেলেদের ভালোভাবে বড় করেছি আমি। ভালো শিক্ষা দিয়েছি। আমি নিশ্চিত ও এমন কিছু করবে না।

প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সংসার না করলেও দুই ছেলেকে অবজ্ঞা করেননি ধর্মেন্দ্র। তার প্রথম স্ত্রীর মতে তিনি স্বামী হিসেবে আদর্শ নন। তবে বাবা হিসেবে তুখোড়। দায়িত্ব পালনে কোনোদিন পিছপা হননি ধর্মেন্দ্র।

১৯৭০ সালে 'তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান' সিনেমায় কাজ করার সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্র সম্পর্কে জড়ান। তারা ১৯৮০ সালে বিয়ে করেন এবং তাদের দুটি মেয়ে আছে। এষা এবং অহনা দেওল। এর আগে ১৯৫৪ সালে বিয়ে করেন প্রকাশ কৌর ও ধর্মেন্দ্র। বিভিন্ন সূত্রের খবর, প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই হেমার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন ধর্মেন্দ্র।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত