২০২১ সালে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই দলে ছিলেন আনকোরা কাইল মায়ার্স। চট্টগ্রাম টেস্টে শেষ ইনিংসে উইন্ডিজদের দরকার ছিল ৩৯৫ রান। পাঁচে নেমে ২০ চার ও ৭ ছক্কায় ২১০ রানের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরির অসাধারণ ইনিংস খেলে দলকে স্মরণীয় জয় এনে দিয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার। জাতীয় দলে তার জার্সি নম্বর ৭১। কিন্তু সেই কীর্তি স্মরণ করে বিপিএল খেলতে এলেই ২১০ নম্বর জার্সি গায়ে জড়ান মায়ার্স। গত আসরের মতো এবারও ফরচুন বরিশালে এই নম্বরের জার্সিই পেয়েছেন তিনি। আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষেও মাঠে দেখা যাবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটির এ ক্রিকেটারকে।
অনুশীলনের ফাঁকে মায়ার্স বলেন, 'এটা আমার সর্বোচ্চ টেস্ট স্কোর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমার সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি সেটি। আমার দলই এই জার্সি নম্বর আমাকে দিয়েছে এবং এজন্য আমি কৃতজ্ঞ। এই দেশে যখনই আসি, আমি ভালো করি। এটা দলের পক্ষ থেকে ভালো একটা সৌজন্য।' অভিষেকের ওই ডাবল সেঞ্চুরির পর ২০২২ সালে আবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৪৬ রানের ইনিংস খেলেন সেন্ট লুসিয়ায়। তবে ১৮ টেস্টে ৯৪৯ রান ও ৩৪ উইকেট নিয়ে থমকে আছে তার টেস্ট ক্যারিয়ার।
এবারের আসরে দুই ম্যাচ খেলে জয় ও হার দুটির স্বাদ পেয়েছেন মায়ার্স। নিজের শুরুটাও ভালো হয়নি। দুই ম্যাচে রান করেছেন ৬ ও ১৩। প্রথম ম্যাচে দুটি উইকেট নিলেও রের ম্যাচে পাননি একটিও। মায়ার্সের ভাষায়, 'মাত্র দুটি ম্যাচ গেল। এখনই বলতে চাই না যে আমার শুরুটা ভালো হয়নি। প্রতি ম্যাচেই তো রান করা সম্ভব নয়। আশা করি, মোমেন্টাম পাব সামনে ম্যাচে। গতবার এসেছিলাম টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি। এবছর এসেছি শুরুতে, কন্ডিশন তাই ভিন্ন। তবে যেটা বললাম, মাত্রই দুটি ম্যাচ গেল। একটুও দুর্ভাবনা নেই আমার। নিজের কাজেই মনোযোগ দিচ্ছি, দলের হয়ে কাজটি করতে চাই।'
৭ বছরে ৬ টেস্ট, ৩য় ১০ উইকেটসহ ৪৪ শিকার রশিদের
বিরতি শেষে বিপিএল আজ দুটি কুঁড়ি একটি পাতার দেশে