ওসির মৃত্যু অনুসন্ধানে তিন সদস্যের কমিটি

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:৫৫ এএম

খবরশরীয়তপুরের জাজিরা থানার ওসি আল-আমিনের মৃত্যুর ঘটনা অনুসন্ধানে তিন সদস্যের কমিটি করেছেন পুলিশ সুপার।

তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবুল কালাম একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন। ঢাকা মেডিকেলে মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টার শরীয়তপুর পুলিশ লাইনস মাঠে জানাজা শেষে আল-আমিনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। তবে এ মৃত্যুর ঘটনায় সঠিক তদন্ত চায় তার পরিবার ও সুশীল সমাজের লোকজন। আল-আমিনের বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদি থানার কাঁচ্চির এলাকায়।

পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে থানার ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরা দেখতে পান থানার চারতলা ভবনের দোতলায় ওসির শয়ন কক্ষে জানালার সঙ্গে আল-আমিনের মরদেহ ঝুলছে। পরে ঢাকা সিআইডি ফরেনসিক টিম এসে সুরতহাল শেষ করে সন্ধ্যার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ ও পরিবার বলছে গত দুই বছর যাবৎ তিনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন। গেল বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর জাজিরা থানার ওসি হিসেবে যোগদান করেন আল-আমিন। প্রায় চার মাস ধরে ভালোভাবেই দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

নিহত ওসি আল-আমিনের ভাই আবুল কালাম বলেন, ভাইয়ের মৃত্যুতে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। হয়তো তার কোনো কাজের চাপ ছিল বা সিনিয়রের চাপ ছিল এজন্যই এমন ঘটনা ঘটতে পরে।

শরীয়তপুর পুলিশ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ডিপ্রেশনের বিষয়টি গোপনে রাখা হয়েছিল, পরে পরিবার থেকে জানা গেল তিনি ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। ওসির মৃত্যুতে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এ ছাড়া তিন সদস্য একটি অনুসন্ধান কমিটি করা হয়েছে বলে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত