বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য ঘাটতি ৭৬ হাজার টন

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:৩৯ এএম

ডলার সংকট, যুদ্ধ, বৈশ্বিক মন্দা আর বাণিজ্যে নানান প্রতিবন্ধকতায় গেল এক বছরের ব্যবধানে বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে ৭৬ হাজার টন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে আমদানির পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ১৪ হাজার ৫০৯ মেট্রিক টন। ২০২৪ সালে তা কমে ভারত থেকে ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৭৮০ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, ১৬টি বন্দরের সঙ্গে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সক্রিয়ভাবে চলছে। ভারতের সঙ্গে বেনাপোল বন্দর দিয়ে সবচেয়ে বেশি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্পন্ন হয়ে থাকে। ২০২৪ সালে বৈশ্বিক মন্দায় ডলারের সংকটের কারণে কমে আসছে আমদানির পরিমাণ। এছাড়া দ্রুত পণ্য ছাড়করণ ও অবকাঠামোগত নানান সমস্যাও বাণিজ্য ঘাটতির কারণ হয়ে ওঠে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাণিজ্য সম্প্রসারণে নানান উদ্যোগ নেয়।

গত মাসে বেনাপোল বন্দরের শূন্য রেখায় চালু করা হয় কার্গোভেহিকেল টার্মিনাল ও বন্দরে বসানো হয় স্ক্যানিং মেশিন। দ্রুত পণ্য খালাস ও  বাণিজ্য সম্প্রসারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের উদ্যোগে কমিটি গঠন করে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এতে বর্তমানে বাণিজ্যে অনেকটা গতি ফিরেছে। কমেছে  হয়রানি। যা সামনের দিনে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ডাইরেক্টর মতিয়ার রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, বছরে ভারত থেকে আমদানি হয় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের পণ্য এবং ৮ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানি হয় ভারতে।

বেনাপোল বন্দরের ডাইরেক্টর মামুন তরফদার জানান, ইতিমধ্যে বেনাপোল বন্দরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আগের চেয়ে বন্দরে ধারণ ক্ষমতা বেশি। অবকাঠামো উন্নয়ন বাণিজ্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের সদস্য কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জানান,  বাণিজ্য সম্প্রসারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্যোগে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি ইতিমধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে কাজ শুরু করেছে। আশাবাদী সামনের দিনে বাণিজ্য বৃদ্ধি ও সহজীকরণে এ উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত