শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাকিয়া সুলতানা ও তার স্বামী পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুল ইসলামকে চাকরিচ্যুতি ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে জুলাই-আগস্ট গণবিপ্লব কমান্ড কাউন্সিল নামে একটি সংগঠন।
বুধবার সংগঠনটির পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, জাকিয়া সুলতানা স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে সিনিয়র সচিবের প্রমোশন নিয়ে দীর্ঘদিন শিল্প মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম করেছেন। অপরদিকে তার স্বামী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অপারেশনাল প্রধান হিসেবে গণহত্যার নির্দেশ বাস্তবায়নকারী। তাদের এখনো বরখাস্ত-গ্রেপ্তার না করে বহাল রাখায় বিষয়টি সরকারের আওয়ামী দুবৃর্ত্তের পুর্নবাসন প্রকল্প মনে হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাকিয়া সুলতানা বিসিএস (প্রশাসন) ১০ম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার স্বামী আতিককে গত বছরের ২১ আগস্ট বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু জাকিয়া সুলতানা এখনো কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ভারতে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাকিয়া সুলতানা শেখ হাসিনার নির্দেশে ইচ্ছাকৃতভাবে সার সংকট সৃষ্টি করার আয়োজন করেছে। সার আমদানিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ঘটিয়ে সরকারের ৪০০ কোটি টাকা ক্ষতি করেছে। উদ্দেশ্য অন্তবর্তী সরকারকে বিব্রত করার মাধ্যমে জনগণের সাথে সরকারের বিরোধ সৃষ্টি করা।
জাকিয়া সুলতানা কখনও মাঠ পর্যায়ে চাকরি করেনি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, সচিব পদে পদোন্নতির জন্য তিনি ১০ কোটি টাকা লগ্নি করেছেন মর্মে পত্র-পত্রিকা প্রকাশিত খবরে জানা যায়। তিনি তার অধীনস্থ সংস্থার পদ দখল করে মাসিক ভাতা হিসেবে ৪ লাখ টাকা গ্রহণ করছেন। বিভিন্ন প্রকল্পে পিডি নিয়োগ করেছেন ৩০/৫০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে।
আতিক-জাকিয়া দম্পতির ঢাকায় অন্তত এক ডজন ফ্ল্যাট ও গাজীপুরে প্রায় ২৫০ বিঘা জমি রয়েছে বলেও দাবি করে জুলাই-আগস্ট গণবিপ্লব কমান্ড কাউন্সিল। সংগঠনটি জাকিয়া সুলতানাকে বরখাস্ত ও দম্পতিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
