মুহূর্তটা স্পেশাল তবুও মন খারাপের

কলকাতায় অভিষেক আজ

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:৩২ এএম

ওপার বাংলায় আজ অভিষেক হতে যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি। মুক্তি পাচ্ছে তার প্রথম কলকাতার সিনেমা ‘ফেলুবক্সী’। দেবরাজ সিনহা পরিচালিত এই সিনেমায় তাকে দেখা যাবে লাবণ্য চরিত্রে। পরীমণি ছাড়া এতে আরও অভিনয় করেছেন সোহম চক্রবর্তী ও মধুমিতা সরকার।

সিনেমা মুক্তি পেলেও ভিসা জটিলতার কারণে এর প্রচারে কলকাতায় যেতে পারেননি পরী। এর জন্য খানিকটা আক্ষেপও রয়েছে তার।  পরীর ভাষ্যে, ‘আমার প্রথম সিনেমা ‘ফেলুবক্সী’ রিলিজ হচ্ছে! আমার কাছে এই প্রথমটা একটু অন্যরকম স্পেশাল। কারণ এটা আমার কলকাতার প্রথম ছবি। ছবি রিলিজ তো নিশ্চয়ই অনেক আনন্দের মুহূর্ত, কিন্তু মন খারাপ হচ্ছে ভীষণ রকম। ভিসাটা হলো নাহ! খুব মিস করছি আমার ফেলুবক্সী টিমের সবাইকে।’ সেইসঙ্গে তিনি আবেগাপ্লুতও হন। জানান তার কান্নাও পাচ্ছে যেতে না পারার কারণে। এরপর বললেন, ‘ডানা কাটা পরী বলেই আজ উড়ে যেতে পারি না।’

কলকাতার দর্শকদের ভালোবাসা জানিয়ে তাদের উদ্দেশে বললেন, ‘আমি যেতে পারিনি, কিন্তু ফেলুবক্সীর লাবণ্যকে সবাই দেখতে পাবেন আপনার কাছের সিনেমা হলে। আমি আপনাদের ভালোবাসা পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম। প্রিয় কলকাতা ভালোবাসা নিও।’ থ্রিলার ঘরানার এ সিনেমাটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সোহম চক্রবর্তী। তার চরিত্রটি সাধারণ এক বাঙালি ছেলের, যে খেতে আর রহস্যের সমাধান করতে খুব ভালোবাসে। আর সেই রহস্যের কেন্দ্রে থাকেন পরীমণি। নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে পরী বলেন, ‘লাবণ্য চরিত্রটা যখন পড়লাম, মনের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল যে, এটা আমি ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারব। সেই কারণে চরিত্রটা করেছি। কতটা ভালো পেরেছি, সেটি দর্শক বলবেন। এই সিনেমার চরিত্র শোনার পর আমি কিছুতেই না বলতে পারিনি।’ সোহম চক্রবর্তী একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক এবং পশ্চিম বাংলার শাসক দলের বিধায়ক। তার সম্পর্কে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘খুব বেশি আড্ডা দেওয়ার সুযোগ পাইনি। তখন একটাই চিন্তা, তাড়াতাড়ি শট দিয়ে পদ্মর কাছে যেতে হবে। সেটের প্রত্যেকে সেই বিষয়ে ওয়াকিবহাল ছিলেন। যে কারণে কেউ আমায় আটকাতেন না। এও জানি, এসব হয়েছে সোহম দার জন্যই। খুবই সহযোগী তিনি।’ যোগ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম দিনের দৃশ্যে অভিনয় করব, দেখি গেটের সামনে সিঁড়ির মুখে সোহম দার দেহরক্ষীরা বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে। আমরা শিল্পীরা তো এভাবে কাজ করে অভ্যস্ত নই। ফলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটছিল। শেষে সুন্দর করে অনুরোধ জানালাম সোহম দা, ওদের একটু সরে দাঁড়াতে বলবেন? একগাল হেসে সঙ্গে সঙ্গে অনুরোধ রাখলেন। সরিয়ে দিলেন দেহরক্ষীদের। একটু চিন্তা হয়েছিল, যদি সোহম দা ভুল বোঝেন। আসলে একজন শিল্পীকে শিল্পীর মতো করে পেতে চেয়েছিলাম।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত