প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ উভয় করই গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো এর প্রয়োগ করা। সমাজে বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলেই আন্দোলন হয়েছে, যা দূর করা সম্ভব নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে। গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিআইসিসির কার্নিভাল হলে ‘শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি ২০২৪’ আয়োজিত ‘শ্বেতপত্র এবং অতঃপর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, সংস্কার জাতীয় বাজেট’ শীর্ষক সিম্পোজিয়ামের প্রথম সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
দীর্ঘদিন ধরে টিসিবির পণ্যের দাম সমন্বয় করা হয়নি জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হতে পারে। আমরা রাজনীতিবিদ না। আমরা কি দীর্ঘমেয়াদে ১৭৫-১৮০ টাকায় তেল কিনে ১০০ টাকায় বিক্রি করব? নাকি ১২৫-১৩০ টাকা করে ১ কোটির জায়গায় দেড় কোটি বা ২ কোটি টাকায় প্রসারিত করব? এই চিন্তাগুলো আমাদের সাহসের সঙ্গে করতে হবে। যদি তা না করি তাহলে আমরাও একই বৃত্তে থেকে যাব।’ তিনি বলেন, ‘এক কোটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে টিসিবির পণ্য সরবরাহ করা হয়। এটাকে যখন ডিজিটালাইজড করেছি, তখন দেখেছি ৩৭ লাখ ভুয়া কার্ডধারী এখানে। বৃহৎ কিছু প্রতিষ্ঠান টিসিবির টেন্ডারে অংশ নিতে পারে। টিসিবির আকার, পেমেন্ট পলিসি, আর্থিক অবকাঠামো চলছে বাণিজ্যিক ঋণে, যা টেকসই নয়।’
টিসিবির সেবাগ্রহীতা কমানোর কথা বলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা টিকিট সাইজ ছোট করার চেষ্টা করছি। ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে টিসিবির সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছি। যাতে টিসিবি যে পণ্যটা কেনে, তার মানটা ভালো হয়।’