যুক্তরাষ্ট্রের ৭২তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিও। শপথ নিয়ে তিনি জানান, ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য বিশ্বকে আরও নিরাপদ করে তোলা।
সোমবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সিনেট সর্বসম্মতিক্রমে রুবিওর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনীতদের মধ্যে তিনিই প্রথম দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সিনেটের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটিতে তার কয়েক বছরের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে কথা বলেছেন তিনি। রুবিও এখন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরে মোট প্রায় ৭০ হাজার কর্মী কাজ করে থাকে।
রুবিওকে পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ে খুবই কট্টর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশেষত ইরান ও চীনের বিষয়ে।
শপথের পর মার্কো রুবিও বলেন, নতুন প্রশাসনের সবকিছু নির্ভর করবে তিনটি প্রশ্নের ওপর- ‘এটা কী আমাদের শক্তিশালী করবে? এটি কী আমাদের নিরাপদ করবে এবং এটা কী আমাদের আরও উন্নতি দেবে? যদি তা না হয়, তাহলে আমরা সেটি করবো না।’
‘যুক্তরাষ্ট্র এখন নতুন যুগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা বিশ্বকে আরও নিরাপদ করে তুলবে। ট্রাম্প এটি পরিষ্কার করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির প্রাথমিক লক্ষ্য হবে শান্তি,’ বলেন তিনি।
ট্রাম্প আমেরিকার স্বার্থকে প্রাধান্য দেবেন উল্লেখ করে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তিনি সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে চলেছেন। পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে তার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি হল— মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এটি এই দেশের জাতীয় স্বার্থকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আমেরিকায় নতুন সাম্রাজ্যবাদ: দ্য ইকোনমিস্ট