সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিদায় নিশ্চিত বললেই চলে। তবে বিদায়বেলায় অন্তত ভালো কিছু করে মাঠ ছাড়ার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন অধিনায়ক আরিফুল হক। কিন্তু দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে পুরোপুরি ব্যর্থ সিলেট। বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে ১১৭ রানের বেশি করতে পারেনি তারা।
রাজশাহীর দুর্দান্ত বোলিংয়ে এক পর্যায়ে সিলেটের ১০০ রানও করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে সুমন খান ও আহসান হাফিজ ভাট্টির ছোট্ট প্রতিরোধে ১০০ পার করে তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি ও এসএম মেহেরব হোসেনের দাপটে গুঁড়িয়ে যায় সিলেট।
ডানহাতি স্পিনার মেহেরব হোসেন ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচায় শিকার করেন ৪ উইকেট। সাজঘরে ফেরান জাকির হাসান ও জাকের আলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারদের। তার বোলিংয়ে সিলেট এক সময় একশর নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে।
মেহেরবের আগে চেপে ধরার সূচনা করেছিলেন বাঁহাতি পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি। ৪ ওভারে মাত্র ২৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।
টপ অর্ডারে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স। পাওয়ার প্লেতে ৬ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ মাত্র ২০ রান। ওপেনিংয়ে নামা আরিফুল হক ও সামিউল্লাহ শেনওয়ারি রানের খাতা খুব একটা বড় করতে পারেননি।
চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই অধিনায়ক আরিফুলকে মাত্র ৭ রানে ফিরিয়ে দেন মৃত্যুঞ্জয়। একই ওভারে আউট হন আফগান অলরাউন্ডার শেনওয়ারি। তিনি করেন ৯ রান। অভিষেক ম্যাচে সাজ্জাদুল রিপনও ছিলেন ব্যর্থ। শূন্য রানে আউট হন তিনি।
জাকের আলী ও জাকির হাসান চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস মেরামত করার। তবে মেহেরবের দ্বিতীয় ওভারে এই দুই ব্যাটারকেই ফেরান তিনি। জাকের ১৮ বলে ১৭ রান ও জাকির ২৫ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন।
রাজশাহীর হয়ে তাসকিন আহমেদ ও আফতাব আলম দারুণ শুরুর পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন মৃত্যুঞ্জয় ও মেহেরব। বোলিং ইউনিটের এই সমন্বয়ে সহজেই সিলেটকে ১১৭ রানে আটকে দেয় রাজশাহী।
দুর্বল ব্যাটিং আর রাজশাহীর দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপিএল যাত্রার হতাশাজনক সমাপ্তি যেন সময়ের অপেক্ষা।
টাকা থাকলে দল নেবেন, না থাকলে নেবেন না: ডাভিড মালান
গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার পথে জিয়াপুত্র তাহসিনের পাশে বিসিবি