আবারও ভোলায় বাস এবং সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা। সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র্যাব ও নৌবাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছে । বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে জেলার সকল রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর বাসমালিক সমিতি ও সিএনজি মালিকদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। এতে ৩০ জন আহত হয়েছেন। গুরহতর আহত ৩ জনকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। মঙ্গলবার সংঘর্ষে পাঁচটি সিএনজি এবং একটি বাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবারের ঘটনার জের ধরে বুধবার সকাল থেকে ভোলায় বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল। সকাল ১০ টার দিকে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপুর ১ টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েক বছর ধরে ভোলা-চরফ্যাশন- ইলিশা সড়কে সিএনজি চলাচল করছে। এতে বাসের যাত্রী সংখ্যা দিনদিন কমছে। অপর দিকে সিএনজির সংখ্যা বাড়ছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সিএনজি ও বাস মালিক শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রতিবছর এই বাসস্ট্যান্ডটি পৌরসভা থেকে ইজারা নেয় বাস মালিক সমিতি। ইজারাকৃত এরিয়ার মধ্যেই একটি জায়গা দখল করে রেখেছে সিএনজি চালকরা। বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা অভিযান চালিয়ে তাদের সরিয়ে। এ নিয়ে বাস শ্রমিক ও সিএনজি চালকদের সাথে কথা কাটাকাটিতে ঘটনার সূত্রপাত।
ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং একপর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এখন ওই এলাকায় বিপুল পরিমান পুলিশ অবস্থান করছে।
জেলা পুলিশ সুপার মো শরীফুল হক বলেন, ঘটনার খবর শুনে পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফেব্রুয়ারি থেকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
আওয়ামী লীগ নেতা কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড নিয়ে শফিকুল আলমের স্ট্যাটাস