জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মধ্যরাতে ইন্টারনেট কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৪০ এএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল এলাকায় এক ইন্টারনেট কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ওই হলের পাশ থেকে লাশ উদ্ধার করে হলের কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আগেই তিনি মারা গেছেন বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

নিহত প্রীতম মীর মশাররফ হোসেন হলে ইন্টারনেট প্রোভাইডার ‘মাস্টার নেটের’ কর্মচারী। তিনি সাভারের ভাটপাড়া এলাকায় ইন্টারনেট কোম্পানির বাসায় থাকতেন।

মীর মশাররফ হোসেন হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, রাতে প্রীতমসহ চারজন কর্মচারী হলে ইন্টারনেট সার্ভিসিংয়ের কাজ করছিলেন। প্রীতম হলের এ-ব্লকের চারতলা ভবনের ছাদের সার্ভিসিং করছিলেন বাকিরা হলের অন্যদিকে কাজ করছিলেন। পরে প্রীতমের খোঁজ না পেয়ে তাকে খোঁজাখুজির পর হলের পিছনের অংশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন। তারা ধারণা করছেন তিনি ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছেন।

এ বিষয়ে মাস্টার নেটের মালিক মো. রুবেল বলেন, ‘দিনের বেলায় সব শিক্ষার্থী রুমে অবস্থান করে না। সেজন্য রাতেই তার কর্মচারীরা হলে সার্ভিসিংয়ের কাজ করছিলেন। ছাদে প্রীতম ইন্টারনেটের লেজারের কাজ করছিলেন। রাত ১১টার দিকে হলে বাকি যারা কাজ করছিলেন তাদের একজনকে প্রীতম ফোনে জানিয়েছিলেন তিনি দুটি লেজার সার্ভিসিং করেছেন আর দুটি বাকি আছে। এরপরে তার সাড়া শব্দ না পেয়ে খোঁজাখুজির পর হলের পিছনের অংশে প্রীতমের মরদেহ দেখতে পান।

এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহামুদুর বলেন, ‘স্পটে দুইবার গিয়ে এবং কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে যেটা ধারণা করছি সেটা হলো, হলের ছাদের চিলেকোঠায় অংশের কার্নিশ ধরে উপরে উঠতে গিয়ে হয়তো পড়ে গেছে। কারণ আমরা কার্নিশের ইট ভাঙা পেয়েছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত